লকডাউন কালে হারানো ফিটনেস কি এবার ফিরে পেতে চলেছেন?

ওয়েব ডেস্ক জুলাই ৩০,২০২০: করোনা অতিমারীর জেরে লকডাউনে বন্দি সারা দেশ সেই ২৫ মার্চ থেকেই। পরবর্তীতে অর্থনীতির বেহাল অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অনেকটা বাধ্য হয়েই ৩১ মে র পর থেকে দফায় দফায় আনলক পর্ব শুরু করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আগামী ১লা আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে আনলক থ্রি পর্ব। যদিও গতকাল এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই পর্বেও আগের মতো কনটেইনমেন্ট জোনে কড়া লকডাউন ই চলবে। এদিন এক নতুন গাইডলাইন প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।
নতুন গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতি রাতে আর কারফিউ থাকছে না। এর আগে আনলক টুতেই হোটেল রেস্তরাঁর দরজা খুলে দিয়েছে কেন্দ্র। এবার আনলক থ্রি-তে খুলে যাচ্ছে জিম এবং যোগাকেন্দ্র। ৫ অগাস্ট থেকে শুধুমাত্র কনটেইনমেন্ট জোনের বাইরেই খোলা যাবে জিম এবং যোগাকেন্দ্র। তবে আনলক থ্রি-তে বন্ধই থাকছে স্কুল, কলেজ-সহ সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এর পাশাপাশি লোকাল ট্রেন, মেট্রো, সিনেমা হল, থিয়েটার, সুইমিং পুল, বার, বিনোদন পার্কের দরজাও বন্ধ থাকছে।
দেশজুড়ে চড়চড়িয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। বিশ্বের করোনা মানচিত্রে এই মুহূর্তে ভারত তৃতীয় স্থানে। আমেরিকা এবং ব্রাজিলের পরেই। তা সত্ত্বেও কেন্দ্র লকডাউনের বাঁধন আলগা করায় পরিস্থিতির অবনতি হবে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁদের মতে, জুন মাস থেকে ধাপে ধাপে লকডাউন শিথিল হওয়ার পর থেকেই রাস্তায় মানুষের ভিড় বেড়েছে। বেড়েছে গাড়ির চাপও। দূরত্ববিধি শিকেয় তুলে হাটে-বাজারেও ভিড় করছেন অনেকে। তাই সংক্রমণের গ্রাফও চড়চড়িয়ে বাড়ছে। এই মুহূর্তে প্রতিদিন দেশজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা যখন ৫০ হাজার ছুঁইছুঁই, তখন আনলকের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তবে থমকে থাকা অর্থনীতির চাকা ঘোরাতে আনলক ছাড়া যে কেন্দ্রের কাছে বিকল্প নেই, তাও মানছেন অনেকে।

Leave a Reply