পুজোর আগে প্রাথমিকে চাকরি? হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ডাকা হল 187 জনকে

ওয়েবডেস্কঃ

বিতর্কের মাঝেই শুরু হল নিয়োগ প্রক্রিয়া । হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে দেওয়া হল নিয়োগপত্র । শুক্রবার সেই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল প্রথম ধাপে 23 জন, পরে 54 জন এবং শেষে 112 জন টেট উত্তীর্ণদের আগামী 23 সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিয়োগ সম্পন্ন করার । আর তারপরেই শুক্রবার বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে পর্ষদ । তাতে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাক পেলেন 187 জন চাকরিপ্রার্থী।

কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ অনুসারে এই টেস্টিমনিয়ালের স্ক্রুটিনি/ভেরিফিকেশন, প্রয়োজনীয় নথি দাখিল, অ্যাপ্টিটিউড টেস্ট নেওয়া হবে পিটিশন দাখিলকারী চাকরিপ্রার্থীদের।19 সেপ্টেম্বর, সোমবার সকাল 10টা থেকে বিকেল 5টা পর্যন্ত সল্টলেক সেক্টর 2-এর আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র ভবনে হাজির হতে হবে ওই 187 জনকে । রোল নম্বরের সঙ্গে নামের তালিকাও প্রকাশ করেছে পর্ষদ ।

2014 সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের টেট পরীক্ষায় 6টি প্রশ্ন ভুল ছিল। ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের 2016 এবং 2019সালে নিয়োগ করে রাজ্য সরকার। পৃথক 6টি মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে। মামলাকারীরা আর্জি করেছিলেন,6টি প্রশ্ন ভুল ছিল। তার উত্তর দিয়েছিলেন তাঁরা। ফলে ওই প্রশ্নগুলির পুরো নম্বর তাঁদের প্রাপ্য। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ তৈরি হয় একটি বিশেষজ্ঞ দল। তাঁরা অনুসন্ধান করে হাইকোর্টকে রিপোর্ট দেয়, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলি ভুল ছিল। তাই পরীক্ষার্থীদের নম্বর বাড়ে।

এই মামলাকারীদের বাড়তি নম্বর দেওয়ার বিষয়টি পর্ষদকে বিবেচনা করতে বলে হাইকোর্ট। পরের বছর ডিসেম্বরে সোহমদের 6নম্বর দেয় পর্ষদ। টেট উত্তীর্ণ হন তাঁরা। স্বাভাবিক তাঁরাও চাকরির দাবিদার হয়ে ওঠেন। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, 6 বছর ধরে তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন। আর সময় দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি নির্দেশ দেন,28 সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রথম ধাপে 23 জনকে চাকরিতে নিয়োগ করতে হবে। শূন্যপদ না থাকলে তা তৈরি করে এই 187 জনকে নিয়োগ করতে হবে বলে জানান বিচারপতি। সেই সময়সীমার মধ্যেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল পর্ষদ।

18