সাড়ে ১৪ ঘণ্টার তল্লাশিতে ইডির কব্জায় আমিরের সাম্রাজ্য, উদ্ধার ১৭.৩২ কোটি

ওয়েবডেস্কঃ

সকাল থেকে রাত গড়িয়ে গেলেও আমিরের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা গোনার কাজ চলতেই থাকে। একটা সময়ে ট্রাঙ্কের পর ট্রাঙ্ক ভরে নগদ টাকা তোলা হয় আমিরের বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে। প্রায় সাড়ে ১৪ ঘণ্টা পর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর ম্যারাথন তল্লাশি অভিযান শেষ হল।

অবশেষে গার্ডেনরিচের ব্যবসায়ী আমির খানের বাড়ি থেকে বেরোলেন কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকেরা। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ গার্ডেনরিচ-সহ কলকাতার ছ’টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে ইডি। তার পর থেকে প্রায় সাড়ে ১৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে। শুধু গার্ডেনরিচে আমিরের বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয়েছে নগদে ১৭ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা। এ ছাড়া, তাঁর নিউটাউনের অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে আরও কয়েক কোটি নগদ। এমনটাই জানা গিয়েছে ইডির একটি সূত্রে।

জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে গার্ডেনরিচের আমিরের বাড়িতে টাকা গোনার কাজ শুরু করেছিলেন ব্যাঙ্ককর্মীরা। পাশাপাশি, ওই বাড়িতে আরও টাকা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। সকাল থেকে রাত গড়িয়ে গেলেও নোট গোনার মেশিনে আমিরের বাড়ি থেকে উদ্ধার টাকা গোনার কাজ চলতেই থাকে। একটা সময়ে ট্রাঙ্কের পর ট্রাঙ্ক ভরে নগদ টাকা তোলা হয়েছে আমিরের বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে। অন্য দিকে, একের পর এক ট্রাঙ্ক ঢোকানো হয়েছে আমিরের বাড়িতে। ওই ট্রাঙ্কগুলিতে ভরেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ টাকা। ইডি সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ ১৭ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা।

একটি মোবাইল গেমিং অ্যাপের মাধ্যমে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগের তদন্তে নেমে গার্ডেনরিচের শাহি আস্তাবল গলি, পার্ক স্ট্রিট, মোমিনপুরের বন্দর এলাকা, নিউটাউন-সহ শহরের ছ’টি জায়গায় অভিযান শুরু করেছিল ইডি। কেন্দ্রীয় সংস্থাটির আধিকারিকদের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন সিআরপিএফ জওয়ানেরা। অভিযানের সময় সিআরপিএফ জওয়ানদের আমিরের বাড়ির বাইরে মোতায়েন রাখা হয়। ভিতরে চলতে থাকে চিরুনি তল্লাশি।

17