নিয়োগ ‘দুর্নীতি’তে ধৃত আরও এক, সিবিআইয়ের দাবি, গ্রেফতার হওয়া প্রসন্ন ‘মিডলম্যান’

ওয়েবডেস্কঃ

গত জুলাই মাসে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে ইডির হাতে গ্রেফতার হন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর ঘনিষ্ঠ বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে ৫০ কোটি টাকা, কোটি কোটি টাকার গয়না, বিদেশী মুদ্রা উদ্ধার করেন ইডি আধিকারিকরা। এরপর থেকেই এসএসসি মামলায় একের পর এক অভিযুক্তের নাম উঠে আসে। এবারে, এসএসসি নিয়োগ ‘দুর্নীতি’তে আরও এক জনকে গ্রেফতার করল সিবিআই।

গত ২৪ অগস্ট শান্তিপ্রসাদ সিনহাকে জেরা করে মধ্যস্থতাকারী প্রদীপ সিংয়ের নাম জানা যায়। তাঁকে গ্রেফতারির পর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই প্রসন্ন কুমারের হদিশ পায় সিবিআই। প্রদীপ সিংহ যে সংস্থায় কাজ করতেন, শুক্রবার সেখানকার মালিককে গ্রেফতার করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সিবিআই সূত্রে খবর, ধৃতের নাম প্রসন্ন কুমার রায়। তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।শুক্রবার নিউটাউন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই।

তাঁর বিরুদ্ধেও অযোগ্য প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়োগ-কর্তাদের যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আজ আলিপুরে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হবে প্রসন্নকে।

সিবিআই সূত্রে খবর, প্রসন্নর বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। সুন্দরবন, পুরী, দিঘাতে হোটেল রয়েছে তার। এমনকি, দুবাইতেও রয়েছে তার হোটেল । এত বিপুল সম্পত্তি কীভাবে হল প্রসন্নর। এই আয়ের উৎসই বা কী? সবটা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

এই ঘটনায়, দিলীপ ঘোষ বলেন, “বাংলায় এরকম মিডলম্যান আরও খুঁজে পাওয়া যাবে। বিদেশেও সম্পত্তি থাকতে পারে। যেরকম যেরকম এজেন্সির হাতে তথ্য আসছে, সেরকমভাবে তদন্ত এগোচ্ছে। জেলায় জেলায় এরকম লোক আছে। তারাই টাকা সংগ্রহ করত। তারাই তালিকা নিয়ে আসত। একটা এজেন্সির মতো সমান্তরাল সিস্টেম চালানো হত”।

এই পর পর গ্রেফতারের ঘটনায় শাসক দল যে চাপের মুখে তা বলাই বাহুল্য।

23