ঘুমন্ত অবস্থায় তুলে নিয়ে নাবালিকা ‘ধর্ষণ’ ও খুন, গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত

ওয়েবডেস্কঃ

প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও নির্যাতিত হচ্ছে মহিলারা যার মধ্যে বাদ পড়ছে না শিশু থেকে বৃদ্ধা কেউই। কখনো চকলেটের লোভ দেখিয়ে কখনো পড়ানোর অছিলায় আবার কখনোবা ঘুমন্ত অবস্থাতেই। আর এবারে নৃশংস নারকীয় ঘটনার আবারও সাক্ষী থাকল রাজধানী। এক আট বছর বয়সী নাবালিকাকে ঘুমন্ত অবস্থাতেই তাকে বাড়ি থেকে ধর্ষণ করে তার গলা কেটে খুন করল এক ব্যক্তি।

সোমবার ৮ বছর বয়সী এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠলো ৩৬ বছর বয়সী পেশায় কসাই বিহারের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,মধ্য দিল্লির যমুনা খাদার এলাকায় এক জঙ্গলে ধর্ষণের পর তাঁকে খুন করার সময় তাঁর গলা কেটে দিয়েছে ওই ব্যক্তি, এমনকী ওই নাবালিক মুখ বিকৃত করার অভিযোগও উঠেছে ধৃতের বিরুদ্ধে ।

জানা গেছে, বিহার থেকে কাজের খোঁজে ২০ বছর আগে তিনি দিল্লিতে আসে ওই ব্যক্তি। তুর্কমান গেট এলাকায় কসাই হিসেবে তিনি কাজ করতেন।

৪ অগস্ট রাতে দরিয়াগঞ্জ এলাকার এক বাসিন্দা থানায় অভিযোগ দায়ের করে জানিয়েছিলেন, তিনি তাঁর স্ত্রী ও চার সন্তানের সঙ্গে ঘুমোচ্ছিলেন। ভোর ৪টে নাগাদ ঘুম ভাঙতেই তাঁর মেয়েকে তিনি বাড়িতে দেখতে পাননি। আশেপাশে এলাকায় খোঁজ করার পর থানায় অপহরণে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ১৮ অগস্ট ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় যমুনা খদর এলাকা থেকে নাবালিকার মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুন ও পকসো আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ।

পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শ্বেতা চৌহান জানিয়েছেন, “বিশেষ সূত্রে আমরা জানতে পারি ধৃত ব্যক্তি বেশ কিছু দিন ধরেই চকোলেট ও অন্যান্য জিনিস দিয়ে ও নাবালিকার সঙ্গে সু-সম্পর্ক তৈরি করেছিলেন। তাঁকে খুঁজে বের করে জেরা করা হয়েছিল। জেরার মুখে তিনি সবটা স্বীকার করেছেন।” তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে নাবালিকার মায়েরও শারীরিক সম্পর্ক ছিল।

ঘটনার দিন নির্যাতিতার বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে গাঁজা খেয়েছিল অভিযুক্ত ব্যক্তি। বাড়ির সকলে ঘুমিয়ে পড়লে ভিতরে ঢুকে নাবালিকাকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর তাঁর গলা কেটে তাঁকে খুন করে অভিযুক্ত। যে ছুরি দিয়ে নাবালিকাকে হত্যা করা হয়েছে, তা ইতিমধ্যেই উদ্ধার করেছে পুলিশ।

30