কুলিক রোববার কবিতা: অশ্বত্থ ছায়ায় – ৪

রা জা

এমন উন্মাদ করা চাঁদের নীচে শহর পুড়ছে যখন। আর আমাকে বিড়ির মাহাত্ম্য বোঝাচ্ছে সাধক টোটোওয়ালা। ধর্মান্ধ গলির মুখে পেচ্ছাপ করছে পাগল। ভাবছি, সঙ্গে ক্যামেরা থাকলে ভালো হতো। দুয়েকটা অদৃশ্য ধরে রাখতাম নাহয়। তেমন ধ্যানমগ্ন হলে ভালোবাসার কথা বলতাম। শরীর ছাড়িয়ে অন্য শরীরের ব্যাখ্যা দিতাম ঠিক। ছবির ওপর ছবির বিভ্রাট। ভীড়, মাতাল, সিঙ্গিং বার। তুমুল হট্টগোলের বিরুদ্ধে জলরঙা নৈঃশব্দ্য। চাবি হারানো মেয়েটার থেকে ফিরিয়ে নেওয়া চোখ। মানুষের বসন্ত মিস্ হয়ে যাচ্ছে। কুকুর শুঁকে নিচ্ছে ভাদ্র মাস। শুকনো গোলাপ পড়ে আছে রাস্তায়। পৃথিবীর সমস্ত টার্গেট ছুঁতে না পারা ফেরিওয়ালা ফিরছে নিজের একার কাছে। ব্যর্থ প্রেমিক ঘুম চাইছে কান্নার গভীরে। আমি দেখছি, জ্যোৎস্না শহর টুকরো টুকরো জীবন উপন্যাস। বন্ধ ঘড়ির সন্দেহ মুছে গেছে। দূরের প্রেম, কাছের আশ্বাস। তুমি পাহাড়ে গেলে মেঘলা হয়ে যাও। মেঘ পাহাড় প্রেয়সী হয়ে ওঠে। এতো এতো দৃশ্য মগজে নিয়ে হাঁটছি। হাঁটছি রুটিগন্ধ মেখে । পথশিশুর পথের দিকে চেয়ে থাকায় ভাসছি অবিকল। বুদ্ধের চোখের মতো গহীন রাত আমার পাশাপাশি চলছে অনায়াস…

17