একাধিক লাক্সারি SUV, বীরভূমে অনুব্রত-ঘনিষ্ঠের রাইস মিলে CBI হানা

ওয়েবডেস্কঃ

এবার কেষ্ট-ঘনিষ্ঠের রাইস মিলে হানা সিবিআইয়ের। শুক্রবার গরুপাচার কাণ্ডে ধৃত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠের রাইস মিলে যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। প্রথমে মিলের দরজার তালা খোলা নিয়ে শুরু হয় টালবাহানা। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় মিলের ভেতরে ঢুকতে পারেন আধিকারিকরা। এরপর শুরু হয় নথিপত্র খতিয়ে দেখার কাজ।

বীরভূমের ভোলে ব্যোম রাইস মিলের হানা দিল সিবিআই। তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে নাকি যোগ রয়েছে এই রাইস মিলের। এমনটাই দাবি বিভিন্ন সূত্রে। এদিন সকালে রাইস মিলে আসেন সিবিআই আধিকারিকরা। কিন্তু রাইস মিলের নিরাপত্তা রক্ষী প্রথমে তাঁদের ঢুকতে দেয়নি। প্রায় ৪০ মিনিট অপেক্ষা করার পরে অবশেষে ভিতরে ঢুকতে পান সিবিআই গোয়েন্দারা।

জানা গেছে, এই রাইস মিলের অন্যতম ডিরেক্টর অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডল ও স্ত্রী। রাইস মিলের ভিতরে একাধিক বিলাশবহুল গাড়িও দেখা গিয়েছে। এই মুহূর্তে সিবিআই আধিকারিকরা রাইস মিলের ভিতরেই রয়েছেন। বিষয়টি সম্পর্কে হুগলির বিজেপি সাংসদ বলেন, “রাইস মিলে চালের মধ্যে হয়তো কোটি কোটি টাকা রয়েছে। জনগণের টাকা লুঠ করা হয়েছে। এটা খুব লজ্জার।”

গরুপাচার মামলায় অনুব্রতের গ্রেফতারের পর কলকাতা হাই কোর্টে তাঁর কন্যার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয় যে, টেট না দিয়েই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি পেয়েছেন সুকন্যা। তাঁর নামের ফেসবুক প্রোফাইলও বলছে, তিনি একই সঙ্গে দু’টি চাকরি করেন। একটি সরকারি, অন্যটি বেসরকারি। হাইকোর্টে বুধবার আইনজীবী ফিরদৌস শামিম অতিরিক্ত হলফনামা জমা দিয়ে সুকন্যার চাকরির বিষয়টি আদালতকে জানান। সেটা শুনেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার বেলা ৩টের মধ্যে সুকন্যাকে কলকাতা হাই কোর্টে ডেকে পাঠান। বৃহস্পতিবার সকালে বোলপুরের নিচুপট্টির বাড়ি থেকে কলকাতায় এসেছেন সুকন্যা। বুধবার বিকেলে কলকাতা হাই কোর্টে সুকন্যার বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ে যে, টেট পরীক্ষা না দিয়েই তিনি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষিকার চাকরি পেয়েছিলেন। এ-ও অভিযোগ যে, সুকন্যা স্কুলে না গিয়েই বেতন পান বাড়িতে বসে। সুকন্যার সই নেওয়ার জন্য স্কুলের রেজিস্টার খাতা অনুব্রতর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হত বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

22