কুলিক রোববার: সাহিত্য প্রসঙ্গ : পর্ব ৭

ভাস্কর চৌধুরী

লেখক/ বুদ্ধিজীবীর দায়

হাসান আজিজুল হক স্যার বলতেন , লেখকের পরিচয় তাঁর লিখার ভেতর সীমাবদ্ধ থাকা ভালো। কবির জীবন নিয়ে আমরা অনেক পর্যালোচনা করি। পজিটিভ চিন্তা ঠিক আছে। কিন্তু নেগেটিভ চিন্তা লেখকের লিখার উপর প্রভাব ফেলে। তিনি সব কথার এক কথা এভাবে বলেছিলেন যে, রান্না ঘর ও লেখকের জীবনের পেছন দিকে তাকাতে নেই। ওসব জায়গায় অনেক আবর্জনা থাকতে পারে। যা লেখকের উপর ঘৃণার উদ্রেক করতে পারে।
‎ এ কথা আমি আগেও বলেছি। লিখেছি। স্মৃতি থেকে লিখতে গেলে অনেক কথা হারিয়ে যায়। আবার এমন কথা মনে আসে সেটি কাগজে কলমে লিখলে, বিতর্ক বাড়ে।
‎ এমন বিতর্কিত লেখককুলের সকলেই হতে পারে। আমি বাংলাদেশ ও পশ্চিম বাংলার চেনা জানা বিখ্যাত লেখকদের শতকরা পচ্চাত্তর জন লেখকের কথা জানি, যাদের জীবন ও নৈতিকতা খুব বিতর্কিত। নষ্ট ও ভ্রষ্ট । আজকের বাংলাদেশের লেখক সমাজের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা নিয়ে অনেক প্রশ্ন তোলা যায়। সকল বড় লেখক / বুদ্ধিজীবী তাদের স্খলন পতন ত্রুটি নিয়েই সমাজে বিচরণ করছে। তাদের চে একজন অতি সাধারণ মানুষ উত্তম বলেই মানি। আজকাল কবিগুরুর নৈতিক জীবন ও বংশীয় পরিচয় নিয়ে টানাটানি চলছে। বোলপুরের বিশাল শান্তি নিকেতন প্রতিষ্ঠাকে, তাঁর নোবেল জয়ের পেছনে অদৃশ্য হাত অনেকেই দেখতে পান। লালনের পাণ্ডুলিপির উপর ভর করে গীতাঞ্জলির উত্থান নিয়েও কেউ লিখতে ছাড়েন না। টিভিতে দেখলাম , নষ্ট পুঁজির টাকা থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে পরের দিন পুঁজির বিরুদ্ধে কথা ফেনিয়ে মুখ মুছে নিচ্ছেন। এই সব ভ্রষ্টাচার করতে তাঁদের লজ্জা করে না। তারা বিকৃত ও বিকৃত মেধার মানুষ। গত পনেরো বিশ বছর আগেও এমন কুবুদ্ধির আশ্রয় কেউ নেন নি। আজ কেনো এই দুর্গতি। যে সমাজ বঙ্গবন্ধুর হাতে একগুচ্ছ নির্ভীক লেখক বুদ্ধিজীবী দিয়েছিলেন, যাদের ত্যাগ তিতিক্ষা স্বাধীনতা সংগ্রামের বড় একটি শক্তি ছিলো, আজকের বুদ্ধিজীবীদের কে তৈরি করলো। নষ্ট মেধা , পচা চালকুমড়োর চে বেশি গন্ধ ছড়ায়।
‎ আমরা এখন এমন সমাজে পুঁজির হাতে নিষ্পেষিত হয়ে বসবাস করছি। উপায়হীন আমরা।
‎ ঔপন্যাসিক ও শিক্ষক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস কি পরিস্থিতিতে আনন্দ পুরস্কার নিতে বাধ্য হয়েছিলেন , তার কৈয়ফত দিয়ে গেছেন। একদিন আমি হাসান আজিজুল হক স্যার ও অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম স্যারের সাথে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস স্যারকে দেখতে গিয়েছিলাম। আমাদের খবর শুনে তিনি বসার ঘরে বগলে ক্রাচে ভর দিয়ে এলেন। বিস্ময়ে দেখলাম , স্যারের এক পা নেই। দুঃসহ ক্যানসারে নষ্ট পা টি কলকাতার হাসপাতালে কেটে ফেলতে হয়েছে। তিনি হাসতে হাসতে বললেন, হাসান , দেখুন অবশেষে আমি ডান পন্থী হতে বাধ্য হলাম। কোথায় পাবো এমন নির্ভীক সোনার মানুষ?

হাসান আজিজুল হক স্যার বলতেন , লেখকের পরিচয় তাঁর লিখার ভেতর সীমাবদ্ধ থাকা ভালো। কবির জীবন নিয়ে আমরা অনেক পর্যালোচনা করি। পজিটিভ চিন্তা ঠিক আছে। কিন্তু নেগেটিভ চিন্তা লেখকের লিখার উপর প্রভাব ফেলে। তিনি সব কথার এক কথা এভাবে বলেছিলেন যে, রান্না ঘর ও লেখকের জীবনের পেছন দিকে তাকাতে নেই। ওসব জায়গায় অনেক আবর্জনা থাকতে পারে। যা লেখকের উপর ঘৃণার উদ্রেক করতে পারে।
‎ এ কথা আমি আগেও বলেছি। লিখেছি। স্মৃতি থেকে লিখতে গেলে অনেক কথা হারিয়ে যায়। আবার এমন কথা মনে আসে সেটি কাগজে কলমে লিখলে, বিতর্ক বাড়ে।
‎ এমন বিতর্কিত লেখককুলের সকলেই হতে পারে। আমি বাংলাদেশ ও পশ্চিম বাংলার চেনা জানা বিখ্যাত লেখকদের শতকরা পচ্চাত্তর জন লেখকের কথা জানি, যাদের জীবন ও নৈতিকতা খুব বিতর্কিত। নষ্ট ও ভ্রষ্ট । আজকের বাংলাদেশের লেখক সমাজের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা নিয়ে অনেক প্রশ্ন তোলা যায়। সকল বড় লেখক / বুদ্ধিজীবী তাদের স্খলন পতন ত্রুটি নিয়েই সমাজে বিচরণ করছে। তাদের চে একজন অতি সাধারণ মানুষ উত্তম বলেই মানি। আজকাল কবিগুরুর নৈতিক জীবন ও বংশীয় পরিচয় নিয়ে টানাটানি চলছে। বোলপুরের বিশাল শান্তি নিকেতন প্রতিষ্ঠাকে, তাঁর নোবেল জয়ের পেছনে অদৃশ্য হাত অনেকেই দেখতে পান। লালনের পাণ্ডুলিপির উপর ভর করে গীতাঞ্জলির উত্থান নিয়েও কেউ লিখতে ছাড়েন না। টিভিতে দেখলাম , নষ্ট পুঁজির টাকা থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে পরের দিন পুঁজির বিরুদ্ধে কথা ফেনিয়ে মুখ মুছে নিচ্ছেন। এই সব ভ্রষ্টাচার করতে তাঁদের লজ্জা করে না। তারা বিকৃত ও বিকৃত মেধার মানুষ। গত পনেরো বিশ বছর আগেও এমন কুবুদ্ধির আশ্রয় কেউ নেন নি। আজ কেনো এই দুর্গতি। যে সমাজ বঙ্গবন্ধুর হাতে একগুচ্ছ নির্ভীক লেখক বুদ্ধিজীবী দিয়েছিলেন, যাদের ত্যাগ তিতিক্ষা স্বাধীনতা সংগ্রামের বড় একটি শক্তি ছিলো, আজকের বুদ্ধিজীবীদের কে তৈরি করলো। নষ্ট মেধা , পচা চালকুমড়োর চে বেশি গন্ধ ছড়ায়।
‎ আমরা এখন এমন সমাজে পুঁজির হাতে নিষ্পেষিত হয়ে বসবাস করছি। উপায়হীন আমরা।
‎ ঔপন্যাসিক ও শিক্ষক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস কি পরিস্থিতিতে আনন্দ পুরস্কার নিতে বাধ্য হয়েছিলেন , তার কৈয়ফত দিয়ে গেছেন। একদিন আমি হাসান আজিজুল হক স্যার ও অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম স্যারের সাথে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস স্যারকে দেখতে গিয়েছিলাম। আমাদের খবর শুনে তিনি বসার ঘরে বগলে ক্রাচে ভর দিয়ে এলেন। বিস্ময়ে দেখলাম , স্যারের এক পা নেই। দুঃসহ ক্যানসারে নষ্ট পা টি কলকাতার হাসপাতালে কেটে ফেলতে হয়েছে। তিনি হাসতে হাসতে বললেন, হাসান , দেখুন অবশেষে আমি ডান পন্থী হতে বাধ্য হলাম। কোথায় পাবো এমন নির্ভীক সোনার মানুষ?

23