বিজেপি কর্মী নেই বঙ্গে!! কার্যত ফ্লপ “হার ঘর তিরঙ্গা” কর্মসূচি

ওয়েবডেস্কঃ

স্বাধীনতার ৭৫ বছর উদ্‌যাপনকে সরকারের পাশাপাশি সাধারণের উৎসব করে তুলতে চায় কেন্দ্র। শুধু তাই নয়, বিজেপিও দেশ জুড়ে সেই প্রচার চায়। লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, আগামী ১৩ থেকে ১৫ অগস্ট দেশের ২০ কোটি বাড়িতে উঠুক জাতীয় পতাকা। আর ২২ জুলাই থেকেই সরকারি স্তরে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ কর্মসূচির প্রচার শুরুর আর্জি জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে, সব সরকারি ওয়েবসাইটে ২২ জুলাই থেকে ১৫ অগস্ট জাতীয় পতাকার ছবি থাকুক। একই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সব রাজ্য সরকারকেও। একই সঙ্গে চাওয়া হয়েছে, সাধারণ মানুষও যেন এই সময়টায় নিজেদের ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামের কভার ছবিতে জাতীয় পতাকা রাখেন। শুরুর দিন হিসাবে ২২ জুলাইকে বেছে নেওয়ার কারণ, ১৯৪৭ সালের এই দিনেই ভারতের বর্তমান জাতীয় পতাকা গৃহীত হয়েছিল।

শুক্রবারই একটি টুইট করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের সব বেসরকারি সংস্থার দফতর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শপিং মল, রেস্তরাঁ, টোল প্লাজা, থানাতেও জাতীয় পতাকা পর পর তিন দিন উত্তোলন করতে হবে । সরকারি ওয়েবসাইটের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাকাউন্টে জাতীয় পতাকার ছবি লাগানোর জন্য উৎসাহ দিতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে দেশের মানুষকে বলা হবে, তাঁরা যেন জাতীয় পতাকার সঙ্গে ছবি তুলে তা সংস্কৃতি মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে আপলোড করেন।

কিন্তু এত কাজের জন্য লোক কোথায়? প্রতি ঘরে জাতীয় পতাকা কর্মসূচি গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ৩০ টাকার বিনিময়ে জাতীয় পতাকা বিলি করবেন পদ্ম শিবিরের নেতারা। বাংলায় অবশ্য এই কর্মসূচি পালনে অর্ধেক বুথেও পৌঁছনো যাবে কি না তা নিয়ে সংশয়ে রাজ্য নেতারাই।

দলের একাধিক জেলা সভাপতিই রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়েছে, সাংগঠনিক জেলায় কর্মী সংখ্যা হাজার পেরোবে না। তাহলে বাড়ি বাড়ি যাবে কারা। আবার এমন সমস্যাও দাঁড়িয়েছে মণ্ডল ও বুথের সদস্যরা অনেকেই নিজের পকেট থেকে হাজার হাজার টাকা খরচ করে পতাকা কিনতে নারাজ।কারন,বঙ্গ পার্টিকে নতুন করে তহবিল দিতে চায়নি দিল্লি।

সারা দেশে এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হল ২০২৪-এর লোকসভা ভোটকে সামনে রেখে দলের পালে হাওয়া তোলা। আর বাংলায় একুশের বিধানসভা ভোটে বিপর্যয়ের পর দলের গ্রাফ ক্রমশ নামছে। ফলে বিপাকে বিজেপি।

10