একাধিক প্রকল্পের দুর্নীতির অভিযোগে মাদ্রাসা ঘেরাও হরিশ্চন্দ্রপুরে

ওয়েবডেস্কঃ

টাকার বিনিময়ে ভুয়ো শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রী না হয়েও কন্যাশ্রী প্রকল্পের সুবিধা, মিড ডে মিলের দুর্নীতি সহ একাধিক অভিযোগে মাদ্রাসা ঘেরাও অভিযান চললো মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুরে।

ঘটনায় সোমবার সকাল থেকেই কয়েকহাজার মানুষ ঘেরাও করে মিলনগড় সাজ্জাদিয়া হাই মাদ্রাসা। জানা গেছে, এই মাদ্রাসার পরিচালন সমিতি রয়েছে কংগ্রেসের দখলে।

আজকের এই বিক্ষোভ ও ঘেরাও অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ। মাদ্রাসা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ওই মাদ্রাসায় ছ জন শিক্ষককে নিয়োগ করা হয়। আদালতের নির্দেশে তারা যোগ দিয়েছেন বলে মাদ্রাসা কতৃপক্ষের দাবি। তবে অভিযোগ, শুধু ওই ছ জন নন। এলাকায় অন্তত ২০ জনের কাছ থেকে ১০ লক্ষ করে টাকা কাটমানি দিয়ে তারা মাদ্রাসায় কাজ করেছেন।

এ নিয়ে স্থানীয়রা একাধিকবার মাদ্রাসা কতৃপক্ষের কাছে নথি চাইলেও তা দেওয়া হচ্ছে নাবলেই অভিযোগ এলাকাবাসীর। এছাড়াও ছয় বছর ধরে সেখানে নির্বাচন না হওয়ায় মাদ্রাসার কমিটি অবৈধ বলেও দাবি বিক্ষোভকারীদের ।

পাশাপাশি, স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, উচ্চ মাধ্যমিক ওই মাদ্রাসায় পড়ুয়ার সংখ্যায় প্রায় ১৮০০! সরকারি বিধি না মেনে তাদের কাছে থেকে বাড়তি ফি আদায় করা হচ্ছে। যার কোনও হিসেব নেই। মিড ডে মিলের টাকাও নয়ছয় করা হচ্ছে। কমিটির সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক যোগসাজসে দুর্নিতি করছেন বলে অভিযোগ।

হরিশ্চন্দ্রপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ মনিরুল আলম বলেন, স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরাই এদিন বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। মাদ্রাসা কমিশনের নিয়োগ না হলেও অন্তত ২৫ জনের কাছে থেকে ১০ লক্ষ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও পেয়েছে কন্যাশ্রী। বিষয়টি বিডিওর পাশাপাশি জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

যদিও পরিচালন সমিতির সম্পাদক মহম্ম্দ সামশুল হক বলেন, সমস্ত অভিযোগ মিথ্যে। আদালতের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মিড ডে মিল, কন্যাশ্রী নিয়ে অভিযোগ মিথ্যে।

16