কিছুটা স্বস্তি দিয়ে প্যাকেট জাত ভোজ্য তেলের দাম কমলেও আটা,ময়দা পনিরে বসলো জিএসটি।

জ্বালানি তেল থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর আকাশ ছোঁয়া দামে যখন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের যখন নাভিশ্বাস অবস্থা তখন মানুষ কে কিছুটা স্বস্তি দিয়ে প্যাকেট জাত ভোজ্য তেলের দাম কমালো কোম্পানি গুলো। সাধারণ মানুষের জন্য আবার সুখবর যে সম্প্রতি আদানি তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে ফরচুন সয়াবিন তেলের দাম কমে গিয়েছে অনেকটা। এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৯৫ টাকা থেকে কমে ১৬৫ টাকা করা হয়েছে। হচেন সানফ্লাওয়ারের এক লিটার তেলের দাম ২১০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৯৯ টাকা করা হয়েছে।সরষের তেলের দাম ২১০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৯০ টাকা করা হয়েছে। ফরচুন রাইস ব্রান তেলের দাম ২২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২১০ টাকা করা হয়েছে।

অন্যদিকে ফ্রিডম সানফ্লাওয়ার এর এক লিটার প্যাকেটের দাম 200 থেকে কমিয়ে ১৯২ টাকা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থার তেলের দাম ১৯০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৭৫ হয়েছে। ফ্রিডম কাচ্ছিঘানি সর্ষের তেলের ১ লিটারের দাম ২১৫ টাকা থেকে কমে ১৮৫ টাকা হয়েছে। এই জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলো তাদের তেলের দাম কমানোর কারণে সাধারণ মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন।

কিন্তু জিএসটি কাউন্সিল আবার প্যাকেটের আটা – ময়দা, পনির, দই ইত্যাদির উপর নুতন করে ৫% জিএসটি বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে একদিকে কিছুটা স্বস্তি এলেও অন্যদিক দিয়ে পকেটে টান পরতে চলেছে মধ্যবিত্ত সাধারণ মানুষের।

14