অশোকস্তম্ভ বিতর্ক- জাতীয় প্রতীকের অপমান বলে সীতারাম ইয়েচুরির আক্রমণ মোদী সরকারকে

ওয়েবডেস্কঃ সিগারেট হাতে কালীর পোস্টারের পর এবার বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু জাতীয় প্রতীর বা অশোক স্তম্ভ। সোমবার নতুন সংসদে বসানোর জন্য বিশালাকার ব্রোঞ্জের তৈরি 20 ফুট উচ্চতা এবং 9500 কেজি ওজনের অশোক স্তম্ভের উন্মোচন করেছের প্রধানমনন্ত্রী। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগ জাতীয় প্রতীকের নকশা বদলে দিয়েছে মোদী সরকার। যাকে জাতীয় প্রতীকের অপমাম বলেও দাবি করেছেন বিরোধীরা।

তাঁদের অভিযোগ, অশোক স্তম্ভের সিংহকে বিকৃত করে পেশীবহুল ও ক্ষিপ্র করা হয়েছে। যা সংবিধান অবমাননার সমান। সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি ট্যুইটারে লেখেন, “প্রধানমন্ত্রী নতুন সংসদ ভবনের উপরে জাতীয় প্রতীক উন্মোচন করে আমাদের সংবিধানকে স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করেছেন। সংবিধান দ্ব্যর্থহীনভাবে আমাদের গণতন্ত্রকে ৩টি শাখায় ভাগ করে। সেগুলি হল শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ এবং বিচার বিভাগ”।

এবিষয়ে, কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ অভিযোগ করেন, “সারনাথে অশোকের স্তম্ভে সিংহের চরিত্র ও প্রকৃতিকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করা ভারতের জাতীয় প্রতীকের নির্লজ্জ অপমান ছাড়া আর কিছুই নয়!”

অশোক স্তম্ভ উদ্বোধনের নিন্দা করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি বলেন, “নরেন্দ্র মোদীজী অনুগ্রহ করে সিংহের মুখটি পর্যবেক্ষণ করুন, এটি মহান সারনাথের মূর্তি। তাই অনুগ্রহ করে এটি পরীক্ষা করুন এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে সংশোধন করুন”।

ইতিহাসবিদ সৈয়দ ইরফান হাবিবও ট্যুইটারে কেন্দ্রীয় সরকারের নিন্দায় সরব হয়েছেন। তিনি বলেন “আমাদের জাতীয় প্রতীকের ওপর হস্তক্ষেপ করা সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় এবং তা এড়ানো উচিত। কেন আমাদের সিংহদের এমন রাগী ও ভয়ানক দেখতে হবে? এগুলি অশোকের সিংহ। যেগুলি ১৯৫০ সালে নেওয়া হয়েছিল প্রতীক হিসাবে”।

যদিও কেন্দ্রীয় সরকার এই বিষয় মুখ খুলেনি।

29