সারা ভারত কৃষক সভার উদ্যোগ রায়গঞ্জ বি এল আর ও অফিসের সামনে কৃষকদের বিক্ষোভ।।

ওয়েবডেস্কঃ
অবাধে কুলিক থেকে বালি তুলে নেওয়া হচ্ছে, কেউ দেখার নেই। আদিবাসীদের জমি মালিক পরিবর্তন হচ্ছে। কেউ দেখার নেই। আর এই সব হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে। টাকা দিলেই জমির মালিক বদল হয়ে যাবে। ১০/২০ হাজার টাকা এই ভাবেই চলছে বি এল আর ও অফিস। অফিসে জমেছে দুর্নীতির পাহাড়। অভিযোগ সারাভারত কৃষক সভার।

বৃহস্পতিবার সংগঠনের পক্ষ থেকে রায়গঞ্জ বি এল আর ও অফিসে গণডেপুটেশন দেওয়া হয়। ডেপুটেশনের আগে রায়গঞ্জ বি এল আর ও অফিস কৃষক সভার বিক্ষোভে স্তব্ধ হয়ে যায় অফিস চত্বর। জেলা প্রশাসনিক কার্যালয়ের সামনেই রায়গঞ্জ ব্লকের ভুমি রাজস্ব দপ্তর।

কৃষকদের বিক্ষোভ ঠেকাতে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিলো। রায়গঞ্জ ব্লকের ট্যাগড়া নারায়নপুর, শংকপুর ভগিলতা, লক্ষনীয়া, বিন্দোল, সেরপুর থেকে অনেক কৃষক তাদের জমি বেনামি হয়েছে কাগজ পত্র তথ্য নিয়ে হাজির ভুমি রাজস্ব দপ্তরের সামনে। বাপ ঠাকুরদার সম্পত্তি দলিল খতিয়ান হাতেই আছে অথচ মিউট্রেশনের নামে আস্ত পুকুর টা বেনামী করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ আনলেন পুকুরের মালিক নুরবিল আলি। তৃণমূলের নেতার নামে বেমালুম পুকুরের অংশ। বাপ ঠাকুরদার ১০ দশক জমি হটাৎ ৫ শতক অন্যের নামে। আবার দরখাস্ত, এবার সেই ৫ শতক জমি কারেকশনের জন্যে হয়রানি সঙ্গে গুনতে হয়েছে ২০ হাজার টাকা। এই রকম বহু দুর্নীতির শিকার গোটা রায়গঞ্জ ব্লকের ১৪ টা অঞ্চলের শত শত প্রান্তিক চাষিরাও।

লক্ষনীয়া গ্রামের আদিবাসী পরিবার বহু দিন ধরে ২০১ শতক জমির মালিক। পৌষ মাসে ১৭ লক্ষ ৯৪ হাজার টাকায় কিভাবে জিল্লুর রহমান অনিমেশ রাহার কাছে বিক্রি হয়েছে। আদিবাসীদের জমি অ-আদিবাসী বিক্রির ক্ষেতে নিষেধাজ্ঞা আছে। এর সঙ্গে যুক্ত বি এল আর ও থেকে রেজিষ্ট্রি অফিস। সরাসরি অভিযোগ তুললেন লক্ষনীয়ার বাসিন্দা কমলেশ নাগবংশী।
সঠিক জবাব দিতে পারলেন না বি এল আর ও শুভঙ্কর সাহা। যদিও সময় চেয়েছেন কৃষক নেতাদের কাছে। বি এল আর ও অফিস এখন বাস্তু ঘুঘু দের বাসা অভিযোগ উত্তম পালের।

ডেপুটেশনে প্রতিনিধিত্ব করেন সংগঠনের দুই এলাকার সম্পাদক ভুপেন বর্মন, নজরুল ইসলাম, সভাপতি অমর চাঁদ বিশ্বাস, মিহির সরকার। বিক্ষোভ সভায় সংগঠনের জেলা সম্পাদক সুরজিত কর্মকার রঞ্জন দাস বক্তব্য রাখেন।

25