নিত্যদিনের ব্যবহার অযোগ্য উপকরণ দিয়ে অপূর্ব রথ বানিয়ে সবাইকে তাক লাগালো নবম শ্রেণির ছাত্র আয়ুষ

ওয়েবডেস্কঃ

বসেছে আজ রথের তলায় স্নান যাত্রার মেলা সকাল থেকে বাদল হল ফুরিয়ে এল বেলা। রবিঠাকুরের এই পংক্তি এযুগেও আট থেকে আশির রথযাত্রা উচ্ছাসকে উসকে দেয়। আর তাই বাড়িতে বসেই রথের মজা নিতে নিত্যদিনের ব্যবহার অযোগ্য উপকরণ দিয়ে অপূর্ব রথ বানিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ইসলামপুরের থানা কলোনীর বাসিন্দা আয়ুষ দে। আয়ুষ এই মুহূর্তে ইসলামপুর হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র।

কিন্তু ছেলেবেলা থেকেই বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে খুব ছোট ছোট প্রতিমা তৈরিতে দক্ষতা অর্জন করেছে আয়ুষ। চালা সহ দুর্গা কার্তিক গনেশ লক্ষ্মী স্বরসতী, কালী সহ বিভিন্ন প্রতিমা মাত্র ছয় ইঞ্চির মধ্যে তৈরি করে ইতিমধ্যেই চর্চার কেন্দ্রে রয়েছে আয়ুষ। আর এবার পরিত্যক্ত উপকরণ দিয়ে মাত্র এক ফুটের রথ বানিয়ে প্রশংসার পাত্র হয়ে উঠেছে আয়ুষ। শুধু রথই নয় রথের মধ্যে সুসজ্জিত হয়েছেন জগন্নাথ বলভদ্র ও সুভদ্রা। তাঁদের উচ্চতা প্রায় দেড় ইঞ্চি। এত ছোট মাপের হওয়া সত্ত্বেও অপূর্ব এই দেবদেবীর মূর্তি সহ রথের থেকে চোখ ফেরানো দায়। আয়ুষ জানিয়েছেন, ছেলেবেলা থেকে ইচ্ছে থাকলেও উপকরণ জোগাড়ের অভাবে এই মনবাসনা পূর্ন হয়নি। কিন্তু গত দুবছরে কোভিডের কারনে ঘরবন্দী হয়ে পড়াশোনার ফাঁকে বহু দেবদেবীর মূর্তি বানিয়েছি।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ছোটবেলা থেকেই মাটি দিয়ে পুতুল খেলনা বানানোর চেষ্টা করত আয়ুষ। কোথাও এবিষয়ে কোনও শিক্ষা না নিয়েই বর্তমানে খুব সুন্দর সুন্দর মূর্তি সহ বিভিন্ন সামগ্রী খুব ছোট আকারে তৈরিতে দক্ষ হয়ে উঠেছে আয়ুষ। বহু মানুষ ছোট মূর্তি বানাতেও আয়ুসের কাছে আসে। ইতিমধ্যেই ইসলামপুর শহরজুড়ে প্রশংসার পাত্র হয়ে উঠেছে আয়ুষ।

22