মেয়ের কাটা পা নিয়ে থানায় হাজির বাবা

পুড়ে গিয়েছিল সমস্ত শরীর শুধু অবশিষ্ট ছিল শুধু পা। আর সেই পায়ের নূপুর দেখেই শনাক্ত করলেন নিজের মেয়েকে। মেয়ের কাটা পানি থানায় হাজির হলেন বাবা। ঘটনা বিহারের ভোজপুরের।  ২০১১ সালে শত্রুঘ্ন বিন্দের সাথে মেয়ে মমতার বিয়ে দিয়েছিলেন বাবা অখিলেশ বিন্দ।

বিয়ের পর থেকেই পণের শুরু হয় অত্যাচার। ফোনে সে কথা জানান মেয়ে। কিন্তু বাবা বুঝতে পারেননি শেষমেষ এরকম একটা ভয়ঙ্কর পরিণতি হয়ে যাবে। মেয়ের শ্বশুর বাড়ির প্রতিবেশীরা তাকে খবর দিলে তিনি হাজির হন মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে।

সেখানে পৌঁছে দেখেন সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। পড়ে রয়েছে মেয়ের দগ্ধ শরীর। অবশিষ্ট ছিল শুধু মেয়ের পা।পায়ের নূপুর দেখে শনাক্ত করেন তিনি এবং সেই পা  নিয়ে হাজির হন থানায়। একাধিক থানায় মামলা করা হয়েছে মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে ঘটনার পর থেকেই পলাতক মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

38