ছটপড়ুয়া এলাকা থেকে মাটি খুঁড়ে গৃহবধূর পঁচা গলা দেহ উদ্ধার করলো পুলিশ

ওয়েবডেস্কঃ

স্বামী মারা গিয়ে ছিলেন গতবছর ০১/০৫/২১তারিখে। আর তাঁর মারা যাওয়ার পাঁচ মাসের মাথায় ০৭/১০/২১ তারিখ সকাল ১০টা নাগাদ অর্চনা বর্মন নিখোঁজ হন। সেই নিখোঁজ মহিলার আট মাস পর খোঁজ মিললো। তবে জীবিত নয়।

মাটি খুঁড়ে নিখোঁজ সেই গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার করল রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে রায়গঞ্জ থানার ছটপড়ুয়া গ্রামে। মৃতা গৃহবধূর নাম অর্চনা বর্মন (২৮)।অভিযোগ, সম্পত্তির লোভেই সৎ ছেল খুন করেছে । আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত সৎ ছেলে গোপাল বর্মন সহ ৪ জনকে আটক করে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ।

রায়গঞ্জ ব্লকের ১৪ নম্বর কমলাবাড়ি গ্রামপঞ্চায়েতের ছটপড়ুয়া গ্রামের বাসিন্দা বিধবা মহিলা অর্চনা বর্মন ২০২১ সালের ১০ অক্টোবর নিখোঁজ হয়ে যান। তাঁর সৎ ছেলে গোপাল বর্মন রায়গঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজের ডায়েরি করে। অপরদিকে নিখোঁজ হওয়া অর্চনা বর্মনের বাবা জগবন্ধু বর্মন গোপালের বিরুদ্ধে অপহরণ ও খুন করে মেরে ফেলার অভিযোগ দায়ের করেন । পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে সেইসময় অর্চনা দেবীর সৎ ছেলে গোপাল বর্মনকে গ্রেফতার করে।

কিছুদিনের মধ্যে জামিনও পেয়ে যায় গোপাল। এই ঘটনার বেশ কিছুদিন কেটে যাওয়ার পর গোপালের দুই সঙ্গী স্থানীয় তৃনমূল নেত্রী সোনা তপ্নর সাথে যোগাযোগ করে অর্চনা দেবীর নিখোঁজের বিষয়ে কিছু তথ্য জানায়। তৃনমূল নেত্রী সোনা তপ্ন যোগাযোগ করেন রায়গঞ্জ থানার পুলিশের সাথে। শনিবার পুলিশ পুনরায় তদন্তে নেমে ছটপড়ুয়া এলাকায় একটি জায়গায় মাটি খুঁড়ে একটি কুকুরের কঙ্কাল উদ্ধার করে।

পরে নতুন করে তথ্য পেয়ে আবারও পুলিশ শনিবার রাতেই পশ্চিম ছটপড়ুয়া এলাকায় একটি জায়গার মাটি খুঁড়ে নিখোঁজ অর্চনা বর্মনের পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ অভিযুক্ত গোপাল বর্মন সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার ধৃতদের রায়গঞ্জ আদালতে তোলার পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ।

41