ওয়েব ডেস্ক : আগামী বছরের ৩ জানুয়ারি থেকে ১৫ থেকে ১৮ বছরের পড়ুয়াদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু হবে। নতুন বছরের শুরুতেই ১৫ থেকে ১৮ বছরের ভ্যাকসিন (Vaccine)। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নিয়ে সতর্ক স্বাস্থ্য দপ্তর। প্রতিটি স্কুলে মনোবিদের ব্যবস্থা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার স্কুলে স্কুলে টিকাকরণ (Vaccination) নিয়ে একটি অনলাইন বৈঠকের আয়োজন করে স্বাস্থ্য দপ্তর। হাজির ছিলেন প্রতিটি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্যধিকারিক এবং স্কুল ইন্সপেকটররা।
স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম জানান, সকাল ন’টা থেকে শুরু করতে হবে ভ্যাকসিন। সাড়ে আটটার মধ্যে সকলকে চলে আসতে হবে স্কুল প্রাঙ্গনে। আধার কার্ড ছাড়াও স্কুলের পরিচয় পত্রে ভ্যাকসিন নিতে পারবেন ছাত্র-ছাত্রীরা। প্রত্যেক পড়ুয়ার সঙ্গে তাদের অভিভাবকরাও আসবেন। তাদের জন্য শারীরিক দূরত্ব মেনে স্কুল প্রাঙ্গনেই বসার ব্যবস্থা করতে বলেছে স্বাস্থ্য দপ্তর।
রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা জানিয়েছেন, প্রতিটি স্কুলের কাছে কোনও না কোনও সরকারি হাসপাতাল রয়েছে। সেখানকার কর্মী ও চিকিৎসকদের তৈরি থাকতে হবে। কোনও শিশুর বিন্দুমাত্র পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা গেলে দ্রুত তাকে মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে আসতে হবে। ১০২ ডায়াল করে নিয়ে আসতে হবে অ্যাম্বুলেন্স।
টিকাকরণের সময় যাতে কোনও ভিড় না হয়, সেই জন্য স্কুলে টিকাকরণ শুরুর আগেই শিশুদের ‘রেজিস্ট্রেশন’ করে রাখতে বলেছে স্বাস্থ্য দপ্তর। ভ্যাকসিনেশন সেন্টারে টিকা দিতে চান তাহলে তাকে জোর করা হবে না।
