Categories
রায়গঞ্জ

রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে অচল অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা

ওয়েবডেস্কঃ রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে অগ্নিনির্বাপনের ব্যবস্থা করা হলেও আগুন নেভাতে যে হোস পাইপের প্রয়োজন তার দেখা মিললো না হোস পাইপ ফায়ার বক্সে।মেডিকেল কলেজ চত্বরে প্রায় সব জায়গায় দেখা গেলো হোস পাইপ রাখা বাক্সগুলো ফাঁকা।কোভিড বিভাগ,শিশু বিভাগ থেকে শুরু করে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু জায়গা সহ খোদ অধ্যক্ষ ও সুপারের ঘরের সামনে এই হোস পাইপের দেখা মেলেনি।যা নিয়ে ইতিমধ্যেই মেডিকেল কলেজের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।আপৎকালীন পরিষেবার জন্য এই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা করা হয় সেখানে দাঁড়িয়ে যদি পাইপই না থাকে তাহলে মেডিকেল কলেজে আগুন লাগলে কিভাবে সামাল দেওয়া যাবে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে মেডিকেল কলেজের আধিকারিকদের সাথে যোগাযোগ করা হলে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহযোগী সুপার বিপ্লব হালদার জানান,”আমাদের মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল চত্বরে অগ্নিনির্বাপনের সব ব্যবস্থা থাকলেও নেশায় আসক্ত কিছু মানুষ এগুলোকে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে।তবে আমাদের রিজার্ভার রয়েছে যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে ফায়ার স্টেশন হাসপাতাল থেকে পাঁচশো মিটার দূরে সেক্ষেত্রে তাদের খবর দিলেই তেমন সমস্যা হবেনা।প্রশাসনকে জানানো হয়েছিলো প্রশাসনের পক্ষ থেকে চোরদের ধরা হলেও চুরি করা জিনিস চোররা ফেরৎ দিলেও সেগুলো পরবর্তীতে সেগুলো তেমন কাজে আসেনা।” তবে সহযোগী সুপার হোস পাইপগুলো পুনরায় বসানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
আপৎকালীন পরিষেবা জন্য এই অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে, সেখানে যদি আপৎকালীন পরিষেবাই না দেওয়া যায় তবে এই ব্যবস্থার প্রয়োজন কোথায়?মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মত জায়গা থেকে চোর হোসপাইপ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে, মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সাফাই দেওয়া হলেও আগামী দিনে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটলপ সামাল দেওয়া যাবেতো ?প্রশ্ন একটা থেকেই যাচ্ছে।
বাইটঃবিপ্লব হালদার (সহযোগী সুপার)

39

Leave a Reply