Categories
শিক্ষা

পুনরায় বিদ্যালয় স্তরে পাঠক্রম পুনর্মূল্যায়নের উদ্যোগ রাজ্যে

ওয়েবডেস্কঃ

রাজ্যে স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষার অন্ত নেই বিগত ১০ বছরে। ২০১১ সালের পর বিদ্যালয়ে প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পাঠক্রমের বিবেচনায় চুলচেরা বিচার বিশ্লেষণ ও পরিবর্তন অব্যাহত। শিক্ষক সমাজে সেই নিয়ে প্রতিক্রিয়াও মিশ্র ধরনের।কিন্তু কয়েক বছর যেতে না যেতেই আবারো সেই স্কুলের পাঠ্যক্রমকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করল রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দপ্তর। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই প্রাথমিক পর্যায়ে এইকাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজ্য জাতীয় গ্রন্থাগারে একটি অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, পাঠ্যক্রম পুনর্গঠনের পরিকল্পনা বর্তমানে আলোচনার স্তরে রয়েছে।জানা গিয়েছে, এর আগে ২০১১ সালে গঠন করা হয়েছিল সিলেবাস কমিটি। যে কমিটি কাজ শুরু করেছিল ২০১২ সালে। ২০১৩ সালে প্রথম, তৃতীয়, পঞ্চম, সপ্তম এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রম পুনর্গঠন করা হয়েছিল।
এছাড়াও দ্বিতীয়, চতুর্থ, ষষ্ঠ, অষ্টম শ্রেণি এবং প্রাক-প্রাথমিকের পাঠ্যক্রম পরিবর্তন করা হয়েছিল ২০১৪ সালে। পুনরায় ২০১৫ সালে নবম এবং ২০১৬ সালে দশম শ্রেণির পাঠ্যক্রম বদল করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, নতুন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর উদ্যোগে এখন আবারও সব শ্রেণির পাঠ্যক্রমকে পুনর্গঠনের পরিকল্পনা নিয়েছে শিক্ষা দপ্তর। 

এবিষয়ে নতুন সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যান অভীক মজুমদার বলেন, “আধুনিক ও বিশ্বমানের পাঠ্যক্রম গড়ার বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।” জানা গিয়েছে, এই পাঠ্যক্রম পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া বেশ সময়সাপেক্ষ। তাই স্বল্প সময়ের মধ্যে একাজ সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে এতো ঘন ঘন পাঠক্রম পরিবর্তনের ফলে শিক্ষার্থীদের কিছু অসুবিধেতেও পড়তে হবে বলে বিদগ্ধ মহলের মত। বিশেষ করে দরিদ্র ছেলেমেয়েরা অসুবিধায় পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এমনিতেই অতিমারী পরিস্থিতিতে শিক্ষার পরিবেশ ও মানে ঘোরতর প্রভাব পড়েছে।

44

Leave a Reply