Categories
Uncategorized

কোভিড কথা : মনিদীপা সেন

“মৃত্যু ছুঁয়ে ফিরে আসার কোভিড কথা”

2020 সালের মার্চ মাস থেকে সকলের মত আমরাও কোভিড আতঙ্কে গৃহবন্দী। করোনা ভাইরাসের প্রথম wave এ ভারত বর্ষ তখন কাবু। ঘরে বসে রোজ আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা হিসাব করছি। ফোনে খবর পাচ্ছি প্রিয়জনদের আক্রান্ত হওয়ার। তবু শুধুমাত্র জীবনের তাগিদে কিছুটা স্বার্থপরের মত দিন কাটাচ্ছি চার দেওয়ালের মাঝে। খবরের চ্যানেল গুলো প্রতিনিয়ত দিয়ে চলেছে ক্ষতির খতিয়ান।

দেখতে দেখতে একটা বছর কাটিয়ে দিলাম কেবলমাত্র টিভি ,ফেসবুক আর অল্পস্বল্প শখের জিনিস গুলো কে সঙ্গী করে।2021 এর শুরুর দিক, করোনার দাপট তখন অনেকটাই স্তিমিত। রাস্তাঘাটে লোকজনের ভীড়ও বাড়ছে ভালোই। আমরাও ঘরের বাইরে বের হচ্ছি কখনো মাস্ক পড়ে ,কখনো মাস্ক ছাড়া। আর তাতেই ডেকে নিয়ে এলাম বিপদ। রায়গঞ্জে তখন এক দুজনের কোভিড আক্রান্তের খবর লোকমুখে শুনছি। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে মৃত্যু মৃত্যুসংবাদও শুনতে পাচ্ছি। এরই মাঝে ভ্যাকসিনের দুটো ডোস নিয়ে আমি কিছুটা ওভার কনফিডেন্ট।

15april নববর্ষের সকাল, গোটা বাংলা যখন নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ব্যস্ত তখন আমি গলা ব্যথা ও জ্বর জ্বর ভাব নিয়ে আবার গৃহবন্দী। দুদিন আগে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ায় তারই সাইডএফেক্ট ভেবে প্রথমে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে চাইনি। ফলে বাড়ির সকলের সাথে চলেছে অবাধ মেলামেশা। প্রথম দিন প্যারাসিটামল খেয়ে জ্বর কমলেও তৃতীয় দিন থেকে জ্বর বাড়তে থাকে প্রবল ভাবে। তার সাথে শ্বাসকষ্ট কাশি ।17 তারিখ থেকে আমার স্বাদ গন্ধ সম্পূর্ণভাবে লোপ পায়, ফলে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে আমিও করোনার শিকার। তৎক্ষণাৎ নিজেকে বাড়ির সকলের থেকে আলাদা করে নেই। ফোনে ডাক্তারবাবুর পরামর্শ নিয়ে ওষুধ নেওয়াও শুরু করে দেই। কুড়ি তারিখ যেদিন RTPCR রিপোর্ট পজিটিভ আসলো, সেদিনই করোণায় আক্রান্ত হয়ে বোনের এক বন্ধুর মৃত্যু সংবাদ আমাদের সকলকে আতঙ্কগ্রস্থ করে তুলল। চেস্ট স্ক্যান করে জানা গেল আমার ফুসফুস প্রায় 75 পার্সেন্ট এফেক্টেড। কাশতে কাশতে বুকের পাঁজরে এত অসহ্য যন্ত্রণা যে সোজা হয়ে বসতে পর্যন্ত পারছি না ।এদিকে সকাল থেকে বোনেরও জ্বর আসছে। দুশ্চিন্তায় রাত্রি জাগছে সবাই। 21 এপ্রিল রাত্রি, থার্মোমিটারে পারদ চড়েছে 4.5 ডিগ্রী ফারেনহাইট। ডাক্তার কে ফোন করলে তিনি সরাসরি হসপিটালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন। সেদিন রাতেই রায়গঞ্জ সুপার স্পেশালিটি হসপিটালে ভর্তি হই ।

বাড়ি থেকে বেরিয়ে আরও এক চার দেওয়ালের মাঝে এ এক নতুন জগৎ। আমার রুমে আমারই সমবয়সী আরেকটি মেয়ে।
হসপিটালের বেডে শুয়ে ক্লান্ত শরীরে কখন ঘুম নেমে এসেছে জানিনা, ঘুম ভাঙলো পিপিই কিট পরা এক অদ্ভুত দর্শনধারী ডাক্তারের স্পর্শে। তিনি আমার ব্লাড টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করলেন এবং হাতে চ্যানেল করে ইনজেকশন দিলেন।
সারারাত আমি ঘোরের মধ্যে আছি ,কেউ এসে বলে গেলেন “মাথার কাছে অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখা থাকলো, প্রয়োজন হলে ব্যবহার করতে পারো।” শব্দগুলো আমি অনুভব করতে পারলাম ঠিকই কিন্তু উত্তর দেওয়ার মতো শক্তি সঞ্চয় করতে পারছিলাম না। হসপিটালের আধো-অন্ধকারে আলমারীর দরজা খোলার ক্যাঁচকোঁচ শব্দ, মাঝরাতে অক্সিজেন সিলিন্ডারের স্ক্রু ঠিক করার ধাতব শব্দ এক অদ্ভুত আধিভৌতিক পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। সবকিছু যেন স্বপ্নের মত লাগছে ।কখন ঘুমিয়ে গেছি জানিনা ঘুম ভাঙলো সিস্টারের চিৎকারে ।কোন এক বয়স্ক রোগী কোভিড ওয়ার্ড থেকে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন, মুখে মাক্স ও ঠিকঠাক পরেননি, সিস্টার তাকেই বোঝানোর চেষ্টা করছেন‌।
হসপিটালে থাকার এ এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা। কত মানুষ একেক জনের একেক রকম গল্প। এই সিস্টারদের কথাই ধরুন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পিপিই কিট ছাড়াই রোগীদের সেবা করে চলেছেন অনবরত।হসপিটালে নাকি ঠিকঠাক পিপিই কিটের সাপ্লাই নেই ‌।
সন্ধ্যা বেলা আমাদের সকলকে হসপিটালের নতুন বিল্ডিংয়ের 5th ফ্লোরে সিফ্ট করা হলো ।এখানে একটি ঘরে 10 টি বেড। প্রতিটি বেডে নতুন নতুন রোগী, নতুন নতুন গল্প। কেউ ছেলের অপেক্ষায় দিন গুনছে ,কারো বৌমা তাকে বাড়িতে নিয়ে যাবে না বলে হসপিটালে রেখেছে, কারো বাড়িতে আলাদা ঘরের ব্যবস্থা নেই বলেই তার হসপিটালে আসা, আবার কেউ কবে বাড়ি ফিরতে পারবে এই আশায় বারবার বাবাকে ফোন করে চলেছে। প্রত্যেকের গল্প আলাদা ,পরিস্থিতি আলাদা, তবে মিল একটাই। আমরা সবাই করনা আক্রান্ত। সমাজ আমাদের এখন একটু অন্য চোখেই দেখছে ।
এদিকে নতুন বিল্ডিং এ সিফ্ট হওয়ার পর থেকে ডাক্তার বা সিস্টার কারো দেখা নেই ।রাতে সিস্টার এসে আমাকে ঘরের বাইরে ডাকলেন এবং আমার হাতে দশজন রোগীর ঔষধ দিয়ে তাদের বিলিয়ে দিতে বললেন। পিপিই কিট নেই বলে তিনি আমাদের ঘরে এলেন না। সকাল থেকে প্রত্যেকে তাদের শারীরিক সমস্যার কথা জানাবে বলে অপেক্ষা করছি ,কিন্তু ডাক্তারের দেখা নেই । কারো বাড়ির থেকে খাবার বা জল দিয়ে গেলে দুটি ছেলে এসে সেগুলি দিয়ে যাচ্ছে মাত্র ।সবার মাঝে আমার নিজেকেই সবচেয়ে বেশি সুস্থ মনে হচ্ছে ।কাল থেকে জ্বরও আসে নি আর,খাওয়া-দাওয়া ও করছি ঠিকঠাক। আশেপাশের বেডের কয়েকজন তো ফলের রস ছাড়া কিছুই খেতে পারছে না। এসব দেখে মনটা আরও খারাপ হয়ে যাচ্ছে ।যতটা সম্ভব সবার সাথে গল্প করে ভালো থাকার চেষ্টা করছি । এখানে থাকতেও আর মন চাইছে না, শরীরও আগের চেয়ে অনেকটা ভালো ,তাই পরের দিন হসপিটাল থেকে ছুটি নিয়ে বাড়ি ফিরে আসি।
এই দুইদিনে শারীরিকভাবে কিছুটা সুস্থ হলেও মানসিকভাবে অনেকটাই বিপর্যস্ত। বোনের জ্বর ক্রমাগত বাড়ছে করোণা আক্রান্ত হওয়ার তার আজ পঞ্চম দিন। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে জেনেছি সপ্তম থেকে অষ্টম দিনেই করোনা তার সবচেয়ে ভয়ানক রূপ প্রকাশ করে। বাড়িতে একমাত্র বোনের ই ভ্যাকসিনের একটিও ডোস নেওয়া ছিল না ,তাই বোনকে নিয়ে প্রথম থেকেই সকলের দুশ্চিন্তা ছিলই ।আমার মেজো মাসি অভিজ্ঞ নার্স ,ফোনে তারই পরামর্শে বাড়িতে অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থাও করা হয়। তবে বাস্তব অভিজ্ঞতার অভাবে সিলিন্ডারে কত অক্সিজেন আছে অথবা তা কতক্ষণ পর্যন্ত চালানো যেতে পারে এসব আমরা একেবারেই বুঝতে পারিনি। বোনের অক্সিজেন লেভেল অক্সিমিটারের তখন থেকে 87-88,সাময়িক আরামের জন্য আমরা হাই ফ্লো তে অক্সিজেন চালিয়ে দিই, কিন্তু রাতের দিকে অক্সিজেন শেষ হয়ে যায়। সারারাত অক্সিজেনের অভাবে ওর অবস্থা এতটাই অবনতি হতে থাকে যে সেই মুহূর্তে অক্সিজেন সিলিন্ডার জোগাড় করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হয়ে ওঠে। ভোর 3:30,জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে ওর। অক্সিমিটারে অক্সিজেন লেভেল প্রায় 72 -73 ।এত রাত্রে অক্সিজেন সিলিন্ডারই বা পাব কোথায়? কাকেই বা ফোন করবো? একটাই নাম তখন মাথায় এলো মুক্তির কান্ডারীর কৌশিকদা। কয়েকবার ফোন করার পর দাদা ফোন ধরে জানালেন অক্সিজেনের যোগান আছে । ততক্ষনে দুশ্চিন্তায় মা অসুস্থ বোধ করছে, বাবা দৌড়চ্ছে অক্সিজেনের খোঁজে।এক একটা মুহূর্ত যেন একেকটা যুগের মত লাগছে। ভোরের দিকে অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা হলে বোন প্রথম উঠে বসে। তবে গায়ে তখন ও প্রচন্ড জ্বর। সিদ্ধান্ত নেওয়া হল যে ওকে নার্সিংহোমে ভর্তি করতে হবে। এক কাকু কে ফোন করে অনুরোধ করায় তিনি সব ব্যবস্থা করলেন।
জীবনরেখা নার্সিংহোমে ভর্তি করার পর বোনের ব্লাড টেস্ট করা হলে আমরা জানতে পারি ওর ব্লাড সুগার লেভেল অনেক বেশি ।আর সেজন্যই ইনফেকশন সহজে কমছে না। ডাক্তার বাবু বললেন একমাত্র remdesivir ইনজেকশনই পারে ওর জীবন বাঁচাতে। মা বাবা তখন হন্যে হয়ে ঘরে বাইরে ছোটাছুটি করছে। কি করে পাওয়া যাবে এই ইঞ্জেকশন? এটা নাকি খোলা বাজারেও পাওয়া যায় না। তাহলে? ফোন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গা থেকে খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করছি। অনেকের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় কয়েকটি জায়গা থেকে একদিনের মধ্যেই রেমডিসিভির জোগাড় করা সম্ভব হল।
বোনকে নার্সিংহোমে ভর্তি করার পর থেকে remdesivir জোগাড় করা পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা বন্ধু-বান্ধব আত্মীয়-স্বজন প্রত্যেকের কাছে এত সাহায্য পেয়েছি যে তাদের প্রতি আমরা চির কৃতজ্ঞ।এদের প্রত্যেককে পাশে না পেলে আমাদের পক্ষে এই কঠিন পরিস্থিতি অতিক্রম করা সত্যিই সম্ভব হতো না। সব সময় অদ্ভুত ভয় গ্রাস করে আছে। ইঞ্জেকশন তো পাওয়া গেল কিন্তু তাতে কাজ হবে তো? বোন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে তো? দুশ্চিন্তায় শুধু প্রহর গুনছি। পরিবারের উপর দিয়ে যে ঝড় বয়ে চলেছে তা কেবল মা-বাবাই সবচেয়ে বেশি অনুভব করছে।

প্রায় আট দিন নার্সিংহোমে কাটানোর পর বোন যখন মৃত্যু ভয় কাটিয়ে বাড়ি ফিরে আসলো তখনও তার দুর্বলতা সম্পূর্ণ কাটেনি। একটু হাঁটাচলা করলেই হাঁফিয়ে উঠছে।বাড়ির প্রত্যেকে প্রত্যেকের মনোবল বাড়িয়ে চলেছি। এই কয়দিন শহরের অনেক পরিচিতের মৃত্যু সংবাদে মন ভারাক্রান্ত। কিন্তু দুর্বল হলে তো চলবে না! মূল স্রোতে ফিরতেই হবে আমাদের।
বড়দের পরামর্শে রোজ সকালে রুটিন করে breathing এক্সারসাইজ করছি। স্বাদ গন্ধ তো ছিলই না ,তাই যা যা খেতে দেওয়া হচ্ছিল কোনমতে খেয়ে নিচ্ছিলাম ।স্বাদ ফিরে আসার পর হল আরেক বিপদ, সবকিছুই অতিরিক্ত মনে হচ্ছে। কখনো সব খাবারের লবণ বেশি লাগছে, কখনো মিষ্টি বেশি। কিন্তু খেতে যে হবেই ,না হলে সুস্থ হয়ে উঠব কিভাবে? কেবলমাত্র এই তাগিদেই খেয়ে নিচ্ছি সব। কোন বাদ বিচার করছি না।

প্রায় এক মাসের লড়াই এখন আমি ও বোন দু’জনই অনেকটা সুস্থ। জীবনের এই কঠিন সময়ে পরিচিত প্রতিটি মানুষের যে ভালোবাসা পেয়েছি তা আমাদের জীবনে ফিরে আসার তাগিদ কে অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। এই কদিনে আমারও অনেক পরিচিত করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। ফোনে তাদের যতটা পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করা যায় তা ই করছি।এই ছোট ছোট ভয়েস কল গুলো যে কতটা মনোবল বাড়াতে সাহায্য করে তা কেবল আমিই জানি। এই কয়েকদিনে অনেকের সাথে যোগাযোগও বেড়েছে বিস্তর। করোনা আমাদের সামাজিক দূরত্ব বাড়িয়ে তুললেও মানসিক দূরত্ব কমাতে পেরেছে অনেকাংশে। প্রতিদিনের ব্যস্ততার মাঝে যোগাযোগ রাখতে না পারা মানুষগুলো এই কঠিন সময়ে অনেক কাছাকাছি চলে এসেছে।

যে প্রকৃতির সাথে আমরা এত অত্যাচার করে চলেছি সেই প্রকৃতিই প্রতিশোধ স্পৃহায় আমাদের অবগুন্ঠিত করেছে । সৃষ্টি সুখের উল্লাসে মাতোয়ারা মানুষ আজ নিজের সৃষ্টির ছলেই পদানত ,আবদ্ধ ।পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ জীবের শ্রেষ্ঠত্ব আজ কালিমালিপ্ত। প্রকৃতি তাদের বন্দী করে নিজের পুনর্যৌবন লাভে সচেষ্ট । সবুজের বাড়বাড়ন্ত আজ চারিদিকে। ফুলে-ফলে প্রকৃতি নিজেকে আবার সাজিয়ে তুলছে। কুলিক ফরেস্টে যেমন পরিযায়ী পাখির আনাগোনা বেড়েছে, তেমনি আমাদের বাড়ির চারপাশেও বেড়েছে চেনাজানা পাখির আসা-যাওয়া। অনেক পাখির আনাগোনা দেখছি ,শুনতে পাচ্ছি তাদের কলকাকলি। সুযোগ বুঝে বেশ কয়েকটি পাখি ক্যামেরাবন্দিও করে নিয়েছে।

গত বছরের শুরুতেই মা-বাবা ছাদ বাগানে অনেক গাছ লাগিয়েছিলেন। এবার সেগুলোতে ফুল এসেছে। টেকোমা ,নাইট কুইন, মাধবীলতার মতো ফুলগুলো ছাদ বাগানের অপূর্ব শোভা বৃদ্ধি করছে। এগুলো তো আসলে লকডাউনের ই ফসল। কত মানুষ তাদের হারিয়ে যাওয়া প্রতিভাগুলো কে পুনরায় প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ পেয়েছে এই লকডাউনের সময়।

করোনার করাল গ্রাস থেকে ফিরে এসে আমরাও যেন জীবনকে নতুন করে দেখতে শুরু করেছি ।এই কঠিন পরিস্থিতি থেকে গোটা পৃথিবী মুক্ত হয়ে আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসুক। আবার শুরু হোক সাধারণ জীবনযাত্রা, স্কুলে স্কুলে বাচ্চাদের চিৎকার ,দিদিমণিদের পড়ানো ,টিফিনে ভীড় করে ঘুগনি -চাট মশালা, ফুচকার দোকানের এক্সট্রা ফুচকার চাহিদা আবার ফিরে আসুক এই অপেক্ষাতেই দিন গুনছি।

175

Leave a Reply