Categories
প্রথম পাতা

স্বাধীনতার পর এই প্রথম  বামশূন্য বিধানসভা

ওয়েব ডেস্ক মে,৩,২০১: দাবি ছিল শিক্ষা কর্মসংস্থান ও দুবেলা দুমুঠো ভাতের কিন্তু এবারের নির্বাচনে ধর্মীয় মেরুকরণ এর কাছে হেরে গেলো সংযুক্ত মোর্চা।  রবিবার নির্বাচনের ফল প্রকাশে দেখা গেল মোর্চা প্রার্থীদের মধ্যে ভাঙরের আসনের থেকে জিতেছেন আইএসএফ-এর নওশাদ সিদ্দিকি। গোটা রাজ্যে ‘নিশ্চিহ্ন’ সিপিআইএম, নিশ্চিহ্ন কংগ্রেসও।

এই প্রথম ৩৪ বছরের বাম শাসিত রাজ্য দেখতে চলেছেন বামপন্থীবিহীন রাজ্য বিধানসভা। যদিও পলিটব্যুরোর সদস্যরা দায়ী করেছেন ধর্মীয় মেরুকরণকেই। তাঁদের কথায় বিজেপি যে ধর্মের রাজনীতি করতে চেয়েছিল, মানুষ তা মেনে নেয়নি।” এক বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা বলেন, “আমাদের সমর্থকরা ভেবেছিলেন যে বিজেপিকে প্রতিহত করতে তৃণমূলকে ভোট দেওয়া উচিত। এভাবে আমরা তৃণমূলের কাছে আমাদের জিতে থাকা আসনগুলিও হারিয়েছি। তবে আমরা জনগণের পক্ষে কাজ করছি। আমাদের স্বেচ্ছাসেবীরা কোভিড-ক্ষতিগ্রস্থ লোকদের এখনও সাহায্য করছেন। যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।”

লকডাউন এর সময় বিভিন্ন জনমুখী কাজ করে  এবং প্রার্থী নির্বাচনে ঝকঝকে তরুণ মুখ এনে ও সুবিধে করতে পারলেন না বামেরা। কার্যত দীপ্সিতা ধর (বালি), মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় (নন্দীগ্রাম), সৃজন ভট্টাচার্য (সিঙ্গুর), ঐশী ঘোষ (জামুরিয়া) সবুজ ঝড়ের সামনে দাঁড়াতে পারেননি কেউ। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে ২০২১  বিধানসভা নির্বাচন ছিল সাম্প্রদায়িক শক্তির দরকার যুদ্ধ।মূল লক্ষ্য হিসেবে অনেকেই মনে করছেন যে এই নির্বাচন বামেদের কাছে ট্রায়াল’ মাত্র। তাদের পাখির চোখ এখন হবে আসন্ন পৌরসভা ও গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর এই জন্যেই একঝাঁক  তরুণ মুখ কে বিধানসভা নির্বাচনে সামনে নিয়ে আসা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের এই মতামত কতটা সঠিক  তা ভবিষ্যতই বলবে।

17

Leave a Reply