Categories
কুলিক রোববার

কুলিক রোববার : মেগা প্রবন্ধ :পর্ব ৪৮

বাংলা ছোটগল্পে মুসলিম জনজীবন

পুরুষোত্তম সিংহ

 সৈয়দ মুজতবা আলী ‘মুসলিম সংস্কৃতির  হেরফের’ প্রবন্ধে লিখেছিলেন –“কিন্তু প্রশ্ন উঠিবে এ সাহিত্য রচনা করিবে কে ? যাঁহারা ভালো বাংলা জানেনে তাঁহারা ইসলাম চিনেন না, যাঁহারা ইসলামের পূর্ণ সংস্কৃতির খবর রাখেন তাঁহারা বাংলা জানেন না। কাজেই ব্যাপক সাহিত্য একদিনে গড়িয়া উঠিতে পারে না –বহু লেখকের, বহু দিবসের, বহু তপস্যার প্রয়োজন। এই সব লেখকের নির্মাণ করিব কি করিয়া ?  শিক্ষাপ্রণালীর সংশোধন ও পরিবর্ধন করিয়া –অর্থাৎ বাঙালি মুসলমানকে সনাতন বাংলা শিখিতে হইবে, সঙ্গে সঙ্গে ইসলামের পূর্ণ সংস্কৃতির সহিত পরিচিতি হইতে হইবে।“ (মুসলিম সমাজ এবং এই সময়, সম্পাদনা মইনুল হাসান, ন্যাশনাল বুক এজেন্সি, পৃ. ২৬ ) সৈয়দ মুজতবা আলীর এই সংশয় আজ দূর হয়েছে। আজকের বাংলা কথাসাহিত্যে মুসলিম জীবনের ইতিবৃত্ত নিয়ে বেশ কিছু শক্তিশালী লেখকের আগমন ঘটেছে। এঁদের মধ্যে অন্যতম শামিম আহমেদ (১৯৭৩ )। মুসলিম মিথকে সামনে রেখেই তিনি সাহিত্য পরিক্রমায় অবতীর্ণ হয়েছেন। সেই মিথকে ভেঙেছেন , নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা নিজস্ব বলয় গড়ে নিয়ে এসেছেন। মুসলিম জীবনকে সামনে রেখে তরুণ যে লেখকরা লিখতে এসেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী লেখক শামিম আহমেদ ও সাদিক হোসেন। 

মিথ, বিজ্ঞান, মুসলিম ধর্মীয় জীবন ও সে জীবন থেকে বেরিয়ে আসার প্রচেষ্টা নিয়ে গড়ে উঠেছে ‘কুবাদ একজন হাজামের নাম’ গল্পটি। আধুনিক  শিক্ষিত মুসলিম সমাজের কাছে ধর্মীয় সংস্কার কীভাবে পরাজিত হয়ে যাচ্ছে, বিজ্ঞান কীভাবে মানুষের মন থেকে ধর্মীয় ধারণা গুলিকে দূর করে দিচ্ছে তা এ গল্পে দেখান শামিম। তেমনি রয়েছে ফেলা আসা ধর্মীয় ধ্যান –ধারণা সর্ম্পকে এক বদ্ধ আত্মবিশ্বাস । ধর্ম ও বিজ্ঞানের যাঁতাকলে মানুষ কীভাবে পিষ্ট হচ্ছে , তেমনি পুরাতন ধ্যান –ধারণাকে পিছনে ফেলে রেখে নতুন সভ্যতা এগিয়ে যাচ্ছে, পুরাতন বিশ্বাস নিয়ে কিছু মানুষ কীভাবে পিছিয়ে যাচ্ছে তাই বড় হয়ে ওঠে। কুবাদ হল একজন হাজামের নাম, যিনি খৎনা দেন। কিন্তু কী এই খৎনা, পাঠককে সে ধারণা দেওয়া জরুরি। মুসলিম সন্তানকে যৌনঅঙ্গের পর্দাকে বাদ দেওয়া হয় ছোটবেলায়, এই পর্দা বাদ দিলে সে সন্তান প্রকৃত মুসলিম হয়। এই খৎনা দিতে ডাকা হয় হাজামদের। হাজামরা ব্যবহার করেন ধারালো ছুরি ও পর্দা কাটার  পর লাগিয়ে দেওয়া হয় ছাই। দিন পরিবর্তনের ফলে এই হাজমদের ব্যবসা উঠে যায়, এখন সবাই ডাক্তারের কাছে যায় খৎনা দিতে। ঘোতনের ছেলের খৎনাকে সামনে রেখে লেখক এই পরিবর্তিত জীবনের গল্পটি লিখেছেন। আসলে তারাশঙ্করের যে ঘরানা তা এখানে মুসলিম জীবনকে কেন্দ্র করে শামিম গড়ে তুলেছেন। পুরাতন বিদায় নিচ্ছে, নতুন কালের কাছে তার আক্ষেপ রেখে যাচ্ছে তেমনি নতুনকাল সব ফেলে দিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করলেও পুরাতনের দিকে উঁকি দিয়ে দেখছে। তাই আজ কুবেদ হাজামের জায়গা দখল করেছে ডাঃ সেন। তবে ডাক্তারকে দিয়ে খৎনা দিলেও সে লোককে খাইয়েছে। তবে পুজোর ছুটিতে গ্রামে গিয়ে সেই হাজম পাড়ায় গিয়েছে। সেই বুড়ো কুবাদ হাজামের সঙ্গে দেখা করেছে। তাঁর ছেলে আর হাজাম হয়নি, কেননা হাজামগিরি করে আর এখন পেট চলবে না। চোদ্দ পুরুষের জাতি ব্যবসার পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে –“না ! খৎনা দিলে পেট চলবে না ব্যাটা।সবাই তো ডাক্তারের কাছে যায়। আমাকে ধরে আমার চোদ্দো পুরুষ হাজাম। আমার ছেলে হাড় আর চুলের ব্যবসা করে।“ (ফেয়ারলেনে মধুবালা, অভিযান, প্রথম প্রকাশ ২০১৪, পৃ. ১৮ ) ঘোতনের এই হাজামের কাছেই খৎনা হয়েছিল, সে করুণা বশত একশো টাকা দিলেও সে নেয়নি। হাজাম সাহেব এক আত্মসম্মান বিশিষ্ট মানুষ, অপরের দান গ্রহণ করে না, বরং ঘোতনকে আপ্যায়ন করেছে। ঘোতন সেখান থেকে বিদায় নিয়েছে, কিন্তু মন ফিরে গেছে অতীতের বদ্ধমূল ধারণায়। আর এখানেই লেখক কল্পনায় উড়ান দিয়েছেন। সার্থক ছোটগল্পের এক যথার্থ রূপ এখানে আমরা দেখি। বাস্তব থেকে কল্পনায় ভেসে গিয়ে তিনি পাঠককে বিদায় দিয়েছেন। আর সে বিদায় অতীব মধুর, লৌকিক –অলৌকিকতায় মিশে গেছে –

“ঘোতনের আলো-আঁধারিতে মনে হল, কুবাদ বোধ হয় এখুনি অপারেশন থিয়েটারে ঢুকবেন। হাতে তাঁর ন্যাকড়া –পোড়া ছাই, অন্য হাতে শলাকা। সেই নকল ঠান্ডা ঘরে তো আকাশ নেই, আছে মিথ্যে সিলিং। তবে উড়োজাহাজ দেখাবেন কী করে তিনি ? কোথা সেই লাল-নীল এরোপ্লেন ! কুবাদের আলখাল্লায় যেন সেই উড়োজাহাজগুলো জিরিয়ে নিচ্ছে। সময় হলে উড়তে শুরু করবে। কুবাদ যেন সেই অলৌকিক দেবদূত, যার কেরামতিতে সিলিংগুলো হাওয়া হয়ে যাবে। উবে যাবে চিল-চিৎকার। একটার পর একটা খৎনা দিয়ে দেবদূত বলে উঠবেন, ‘পরের জনকে নিয়ে আসুন বাপজানেরা !” (তদেব, পৃ. ১৯)

‘সবুরা বিবির পুত্রদর্শন’ গল্পেও মিথ, ইতিহাস, কল্পকথা ও জাদুবাস্তবতা মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা কিন্তু চিরকালীন যে বদ্ধ সংস্কার তা আবার আটকে ধরে এই দুই দ্বন্দ্ব বড় হয়ে উঠেছে। সবুরা বিবির পুত্র নিয়াজ মৃত হয়েছে দু বছর হল। আজ শবে বরাতের রাত। মুসলিম সংস্কার অনুসারে এই রাতে আল্লা সমস্ত মানুষের ভাগ্য নির্ধারণ করে। এই রাতে গ্রামের মানুষরা প্রিয়জনের কবরে গিয়ে মোমবাতি জ্বালিয়ে নানা প্রার্থনা করে। তবে সংস্কার অনুসারে কবর স্থানে নারীদের যাবার অধিকার নেই। কিন্তু মাতার মন তো পুত্রের জন্য ব্যাকুল। পৃথিবীর সমস্ত সম্পর্কের মধ্যে পবিত্র হল মাতা ও সন্তানের সম্পর্ক। কিন্তু সেই সন্তান মাতার আগেই চলে গেছে। তাই আজ সবুরা বিবি সমস্ত সংস্কার লোকাচারকে উপেক্ষা করে কবর স্থানে গিয়েছেন সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে। সবুরা বিবির একটিই আকাঙ্ক্ষা শুধু পুত্রকে একবার দেখবেন, তবে পুত্রকে আর এই সংসারের মায়ার বাধনে বাঁধবেন না। কিন্তু কবরে একটি মৃদু আলো দেখতেই তাঁর সব ধারণা ভেঙে যায়। এমনকি লৌকিক বিশ্বাস কবরের পাশে থাকা বট গাছে পিরবাবা থাকে। কবর স্থান থেকে বাড়ি ফেরার পথে সে পথ হারিয়ে ফেলে। এই পর্যন্ত এসে গল্পকার গল্পকে নিয়ে যান বিশ্বাস থেকে অবিশ্বাসের জগতে, লৌকিক থেকে অলৌকিকতার জগতে এক জাদুবাস্তবতার মধ্য দিয়ে। সবুরা বিবির কানে ভেসে আসে –“মৃতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা যায় না, তুমি বাড়ি যাও সবুরা, আপন মকামে। সবুর করো। তোমার ইন্তেকাল হলে তুমি তোমার ছেলের সঙ্গে মিলিত হতে পারবে।“ (তদেব, পৃ. ৩৯) আজ সবুরা বিবির কাছে যেন মৃত্যুই প্রার্থিত । পথে নানা ফেরেশতার দল দেখতে পান। তাঁদের হাত থেকে বাঁচতে তিনি নানা ফেরেশতার স্মরণ নেন। মনে মনে ভাবেন মাতা পুত্রের সঙ্গে দেখা করতে গেছে এতে তো অপরাধ নেবার কথা নয় আল্লার। কখনও মনে হয় পুত্রই বুঝি ফেরেশতার বেশে এসে মাতার সঙ্গে দেখা করতে চান। এখানে এসে শামিম গল্পকে নিয়ে যান জাদুবাস্তবতার জগতে। রাত্রির গভীর অন্ধকার অতিক্রম করে তিনি বাড়ি ফিরেছেন কিন্তু দেখেন বন্ধ দরজা খুলেছে পুত্র নিয়াজ। পুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়েছেন কিন্তু গল্পের শেষ চরণে লেখক পাঠককে একটি সংবাদ দিয়ে যান-পরের দিন দুপুর সবুরা বিবিকে দাফন করা হয় পারিবারিক কবরে। এক আশ্চার্য পরিণামের দিকে তিনি গল্পকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। জীবনের গভীর সত্য প্রকাশের জন্য অলৌকিকতার আশ্রয় নিয়েছেন। শামিম আহমেদ উত্তর আধুনিক ছোটোগল্পের কথক। তাই পুরোপুরি বাস্তবতাকে সামনে রেখে তিনি গল্পের উত্তরণ ঘটাতে চাননা। গল্পহীনতার দিকে তাঁর যেমন ঝোঁক থাকে তেমনি লৌকিক-অলৌকিক, বাস্তব-অবাস্তবের মধ্যে কাহিনিকে দুলিয়ে জীবনের গভীর সত্যে উপনীত হন।

                    আজ হয়ত মাতা পুত্রের সঙ্গে মিলিত হতে পেরেছে কিন্তু সেই পরলৌকিক জগতের কথোপকথন আমাদের জানা নেই। ছোটোগল্প সেই জানার অবকাশ পাঠককে দেয়ও না। এক আশ্চর্য মায়াবন্ধনে লেখক এ গল্পের ছক গড়ে তুলেছেন। অযথা কথা বা গল্পের শাখা প্রশাখা নয় শামিম বক্তব্য বা তাঁর লক্ষ বিন্দুকে সামনে রেখে গল্পকে নিটোল রূপ দিতেই ভালোবাসেন। সেখানে প্রয়োজনে জাদুবাস্তবতার পাশাপাশি মিথ, বিশ্বাস –অবিশ্বাসের দ্বন্দ্ব ও সমাজবদ্ধ মানুষের যে নানা লোকাচার ও সংস্কার সব মিলিয়ে এমন একটি গল্প বলয় তৈরি করেন যা নিজস্ব ঘরানার সাক্ষ্য বহন করে।

                                  সংস্কার থেকে উত্তীর্ণ হওয়া মানুষকেও একসময় সংস্কারের বশবর্তী হতে হয়, গ্রামের সমস্ত কিছুতেই জড়িয়ে আছে স্বার্থ সিদ্ধ মানুষের কৌশল ও রাজনীতি। এই সমস্ত কৌশলকে অতিক্রম করে মানুষের পক্ষে বাঁচা সম্ভব নয়, তবুও বাঁচতে হয়, আর সেই বাঁচার জন্য অনবরত সংগ্রাম করতে হয় সমাজের সঙ্গে কখনোবা নিজের সঙ্গেই। গোষ্ঠীবদ্ধ সমাজের নিয়মের কাছে ব্যক্তি মানুষের শক্তি কতটুকু ? ফলে সমাজের সেই নিয়মের কাছে পিষ্ট হতে হয় ব্যক্তি মানুষকে। তেমনই এক গল্প ‘ইন্তেকালের রাজনীতি’। আব্বাস মিঞা ছিল মদ্যপান ও সুদখোর ব্যক্তি। কিন্তু মুসলিম হাদিসে এই দুটিই পাপের কাজ। তবে সে অতিরিক্ত সুদ নিত না বা সুদের নামে দখলনামাও করেনি। ব্যবসায় লাভ হলে সেখান থেকে মানুষ আব্বাস মিঞাকে সুদ দিত। তাঁর এই কার্যকলাপ গ্রামের মৌলবী সমাজ ভাল চোখে দেখেনি। আব্বাসের এই কার্যকলাপের জন্য পিতা সমস্ত সম্পত্তি আব্বাসের কন্যা ও স্ত্রীর নামে লিখে দিয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই আব্বাসের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য খাট দেয়নি গ্রামের মৌলবীরা এমনকি কেউই কবরের নামাজ পড়তে চায়নি। এই পর্যন্ত এসেছে শামিম গল্পের দিক পাল্টে ফেলেন। লুকমান শেখ ছিল পার্টির লোক। তাঁর পার্টি কোনদিন আব্বাস মিঞার পাড়ায় জিততে পারেনি। কেননা পড়ায় আব্বাসের একটা সুনাম ছিল। আজ স্ত্রী এই মৃত্যুর কাজ সমাপ্তের জন্য গ্রাম্য নেতা লুকমানের কাছে গেছে। সে জানিয়েছে কবরের সব ব্যবস্থা হবে কিন্তু তাঁকে তাঁর পার্টির হয়ে ভোটে দাঁড়াতে হবে। এই দ্বিখণ্ডিত সময়ে দাঁড়িয়ে আব্বাসের স্ত্রীর এই শর্ত মেনে নেওয়া ছাড়া অন্য কোনো উপায় ছিল না –

“এই ওয়ার্ডে আব্বাস মিঞাদের দাপট থাকায় কোনো দিন লুকমান শেখদের পার্টি জেতে না। আব্বাস মিঞার জনপ্রিয়তা সম্পর্কে সকলেই ওয়াকিবহল। তার উপর আব্বাস মিঞা মৃত। তার বউ অবশ্যই প্রচুর ভোট পেয়ে জিতবে। সে যে পার্টির হয়ে দাঁড়াক না কেন ! আব্বাস মিঞা বেঁচে থাকার জন্য এই ওয়ার্ডটি কোনও দিনই লুকমান শেকরা জিততে পারেনি। তাছাড়া আব্বাস মিঞার দাফনের ব্যাপারেও তার পরিবার লুকমান শেখের পার্টির প্রতি কৃতজ্ঞ। আব্বাস মিঞার বেওয়া পার্টির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেই এ বার ভোটে দাঁড়াবে।“ (তদেব, পৃ. ৮২)

 আসলে take and give police এর রাজনীতি আজ মানুষের স্বাধীন চিন্তা ও বিবেক বোধকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে। অবশ্য এই রাজনীতির কাছে মাথা নত করা ছাড়া মানুষের বেঁচে থাকার অন্য উপায় নেই। ফলে মানুষ নিজের প্রয়োজনে, সামাজিক মানুষ হিসেবে সমাজে টিকে থাকার দাবিতে নানা কৌশলের ফাঁদে পা দিতে বাধ্য হচ্ছে। আজ আব্বাসের স্ত্রী অন্য রাজনৈতিক দলের সমর্থনে ভোটে দাঁড়াবেন। এই দলের প্রতি আব্বাসের স্ত্রীর বিশ্বাস আছে কিনা তা আমরা জানি না, লুকমান শেখের মত সুযোগসন্ধানী মানুষরা সাধারণ মানুষের অসহয়তাকে কাজে লাগিয়েছে। আজকের দিনে বিবেকসর্বস্ব ও আদর্শবান মানুষকে ধ্বংসের জন্য দুটি বড় প্রতিষ্ঠান ধর্ম ও রাজনীতি, সেই সঙ্গে রয়েছে সামাজিক নীতি নিয়মের লাঞ্ছনা। এই ত্রিবিধ বন্ধনের কোলাজে মানুষ কীভাবে অপদস্ত হয় তা লেখক দেখিয়ে দেন।

40

Leave a Reply