৩১/৩/২০২১,

ওয়েবডেস্কঃ
দেশের সবচেয়ে করোনা প্রভাবিত জেলার ১০টির মধ্যে ৮টি মহারাষ্ট্রে। শুধু মহারাষ্ট্রেই সাপ্তাহিক সংক্রমণের হার প্রায় ২৩ শতাংশ। উদ্বেগজনক পরিস্থিতি রয়েছে দিল্লি, পঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশেও। বিভিন্ন রাজ্যে ক্রমশ সংক্রমণ বাড়তে থাকলে দেশের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। গত কয়েক সপ্তাহে পরিস্থিতি খারাপ থেকে আরও খারাপ হয়েছে বলে জানিয়েছেন নীতি আয়োগের এক সদস্য । তবে দেশে যে নতুন ধরনের করোনার স্ট্রেন পাওয়া গিয়েছে, তা নিয়ে বেশি আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই বলেও মনে করছেন স্বাস্থ্যকর্তারা।

করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ধাক্কার শিকার হয়েছে মূলত মহারাষ্ট্র, পঞ্জাব, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, দিল্লির মতো রাজ্যগুলি। সংক্রমণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকা মৃত্যুর সংখ্যা নিয়েও চিন্তায় স্বাস্থ্যকর্তারা। সমস্ত রাজ্যের মুখ্যসচিবদের পাঠানো চিঠিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ সংক্রামিতদের মৃত্যুহার কমানোর উপরে বিশেষ ভাবে জোর দিয়েছেন। সংক্রমণের হার কমাতে টিকাকরণে বিশেষ ভাবে জোর দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে দেশবাসী করোনার টিকা নিতে পারবেন। যে জেলাগুলিতে সংক্রমণের হার বেশি, সেখানে ৪৫ বছরের বেশি বয়সিদের ১০০ শতাংশ টিকাকরণ নিশ্চিত করতে বলেছে কেন্দ্র। সংক্রমণ রুখতে কনটেনমেন্ট জোন গঠনের উপরও জোর দেওয়া হয়েছে। করোনা পরীক্ষা, বিশেষ করে আরটি-পিসিআর পরীক্ষার বাড়ানো, মাস্ক পরা সহ সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। মাস্ক না পরলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানার মতো কড়া পদক্ষেপ করার পরামর্শও দিয়েছে কেন্দ্র।

34