২০০৯ সালে অর্থাৎ এখন থেকে ১২ বছর আগে ঝাড়গ্রামের বাঁশতলায় রাজধানী এক্সপ্রেসে মাওবাদী হামলার ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল ছত্রধর মাহাতোর। সেই মামলার তদন্ত করছিল এনআইএ। এবার সেই মতামতকেই রাষ্ট্রদ্রোহিতা ও বেআইনি কার্যকলাপ বিরোধী আইন বা UAPA-তে তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করল এনআইএ। অবশ্য কিছু সংবাদ মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে জ্ঞানেশ্বরি এক্সপ্রেসে নাশকতা চালানোর দায়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২০১০ সালে নাশকতা চালিয়ে জ্ঞানেশ্বরি এক্সপ্রেসে দূর্ঘটনা ঘটায় মাওবাদীরা। সেই ঘটনায় প্রায় দুই শত মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তৎকালীন জনসাধারণ কমিটির মুখপাত্র ছত্রধর মাহাতো, যিনি এখন তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক। লালগড়ে ছত্রধরের বাড়িতে যায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার ৪০ জনের দল। সেখান থেকেই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে তাঁকে। 

জানা গিয়েছে এনআইএ-র নোটিশ সত্ত্বেও তিনি তদন্তকারী সংস্থার সামনে হাজির হননি। তদন্তে সহযোগিতা না করায় এবার তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক ছত্রধর মাহাতোকে গ্রেফতার করল তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ।

প্রায় ১১ বছর পর ২০২০-র শুরুতে জেল থেকে জামিনে ছাড়া পেয়েছিলেন ছত্রধর। ছাড়া পাওয়ার কিছু দিনের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য স্তরের কমিটিতে নেওয়া হয় তাঁকে। দলের রাজ্য সম্পাদক করা হয় তাঁকে। লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে জঙ্গলমহলে জোর ধাক্কা খেয়েছিল তৃণমূল। এজন্য রাজ্য বিধানসভা ভোটের কঠিন  লড়াইয়ের আগে রাজনৈতিকভাবে অনেকটা দুর্বল হয়ে যাওয়া জঙ্গলমহলে ফের জোড়াফুলের জমি শক্ত করার দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হয় দলের পক্ষ থেকে। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। আবার ইউএপিএ মামলায় তিনি গ্রেফতার হলেন।

27