ঈশিতা দে সরকার

কলমের দিনরাত্রি থেকে সরে যেতে যেতে তোর কাছে  স্কার্ফ খুলে রাখি। দৈনতা ফিকে হলে এমন বৃষ্টি পড়ে। তুই তাতে উঠোন ধরবি বলে গাছের সম্মতি ছিল।সম্মতি কতটা নিবিড় হলে আড়াল তীব্র হয়;জানি না।

জানি না এভাবে সাঁকোর সংলাপ টুকে নেবে কিনা কোন আপাত চোখ। উড়ে যাবে গঞ্জ থেকে টেরাকোটা ধুমে।

সেদিন ত বেহিসাব ছিল।ছন্দে ভিজত চিঠি। দূরত্বে ভিজত টিশার্ট। প্র‍তিবাদী রাত জাগায় মেসেজ ফুটত ভোরের আজানের মত। সরে যেতে যেতে পুরোনো নদীতে হড়কে যাক গতি।  অস্থির সময়েরা পোয়াতি হয় নি কখনো। পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ” শুনে ঘুমাই নি এতদিন।অথবা কবিতার রান্নাঘরে উবে গেছি ফোঁড়নের   হাওয়ায়। হাওয়ারা পালটে যাবে বলে এই তো সরাসরি দেওয়াল লিখন। তুই অনুবাদে আগুন এনে দিলে কবিতা   সরজমিনে এনে দেবে সাম্যের অধিকার। একবার শুধু স্কার্ফ ছুঁয়ে দ্যাখ; গুচ্ছ দাপট আঙুলে গান বেঁধে নিচ্ছে। 

এই আকাশ টা,কে আজ ওস্তাদ নাম দিলাম।

এই ঘনঘোর অন্ধকারে বাঁশি বাজায় যে রাত্রিচর;তাকে যদি বলি মহামারী থেকে ফিরে আসা; আপত্তি করবে না কোন হুলুস্থুল ঠোঁট। ঠোঁট বেয়াদপ হলে বিষাদের  দীর্ঘ মরচে টুসু রঙে বদলে যায়। বদল এত খামোকা হয় নি কোন দিন।কোন দিন দ্বিধা থেকে হয়রানি খুঁজে পাবে তার নিভৃত ডালপালা। ফরমান লিখবি বলেই ত কাটাকুটি শেষে অন্তমিল লিখবে প্রজন্মের ডাক হরকরা…. 

30