ওয়েবডেস্কঃ রাম মন্দির নির্মাণের নাম করে ভুয়ো রসিদ বানিয়ে চাঁদা তুলে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করার অভিযোগে ধরা পড়ল তিন যুবক। ধৃতদের মারধর করার পাশাপাশি দড়ি বেঁধে ঘরে আটকে রাখল স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে রায়গঞ্জ থানার মহারাজা এলাকায়। যদিও রাম মন্দির নির্মানে যুক্ত রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাম মন্দির নির্মাণ নিধি সংগ্রহ অভিযান পশ্চিমবঙ্গে ফেব্রুয়ারী মাসের সাত তারিখেই শেষ হয়ে গিয়েছে। এরা কারা তা আমাদের জানা নেই।

রাম মন্দির নির্মাণ প্রকল্পে ভুয়ো চাঁদার রসিদ ছাপিয়ে চাঁদা তুলছিল তিনজন যুবক। রায়গঞ্জ শহরের তুলসীপাড়ার বাসিন্দা অনিমেষ ঘোষ সহ আরও দুই যুবক সেই ভুয়ো রসিদ নিয়ে মহারাজা এলাকায় দোকানে দোকানে গিয়ে টাকা তুলছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হওয়ায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেই কথাবার্তার মধ্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এরপরই উত্তেজিত স্থানীয় বাসিন্দারা ওই তিন প্রতারককে ঘিরে ফেলে মারধর শুরু করে। তাদের দড়ি দিয়ে বেঁধে একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। এরপর খবর দেওয়া হয় রায়গঞ্জ থানার পুলিশকে।

স্থানীয় বাসিন্দা বাবাই সরকার জানিয়েছেন, এই তিন যুবক রাম মন্দির নির্মাণের নাম করে চাঁদার রসিদ ছাপিয়ে সাধারণ মানুষের থেকে টাকা তুলছিল। তাদের কথাবার্তা সন্দেহজনক হওয়ায় গ্রামের বাসিন্দারা তাদের ঘিরে ফেলে আটকে রাখে। এটা পরিষ্কার যে এই যুবকেরা অসৎ উদ্দেশ্য নিয়েই এই কাজ করছিল। বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।

অভিযুক্ত অনিমেষ ঘোষের দাবি, রাম মন্দির নির্মাণ ট্রাস্টে পাঠানোর জন্যই চাঁদা সংগ্রহ করছিলাম। যদিও এরজন্য যে রাম মন্দির নির্মাণ ট্রাস্টের অনুমতি লাগে তা আমাদের জানা ছিলনা।

স্থানীয় রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের এক সদস্য বিষ্ণুপদ মোদক জানিয়েছেন, রাম মন্দির নির্মাণের জন্য তাদের যে নিধি সংগ্রহ অভিযান তা ফেব্রুয়ারিতেই শেষ হয়ে গিয়েছে। এই যুবকদের তাঁরা চেনেন না। রায়গঞ্জের মহারাজা গ্রামের এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

70