১৪/৩/২০২১,ওয়েবডেস্কঃ : একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির প্রার্থী তালিকা নিয়ে টানাপোড়েন আবার চমক। কোথায়ও প্রার্থী হতে না পেরে কেউ দল ত্যাগ করছে আবার কেউ প্রার্থী হতে চাইনা বলে বেঁকে বসেছে।রবিবার তৃতীয় ও চতুর্থ দফার তালিকা প্রকাশের পর হাওড়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী রন্তিদেব সেনগুপ্ত বেঁকে বসলেন। জানালেন, তিনি প্রার্থী হতে চান না, চান দলের হয়ে প্রচার করতে।

উনিশের লোকসভা নির্বাচনেও হাওড়া থেকে গেরুয়া শিবিরের হয়ে লড়েছিলেন প্রাক্তন সাংবাদিক রন্তিদেব সেনগুপ্ত। জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসীও ছিলেন। কিন্তু তৃণমূল প্রার্থী, প্রাক্তন ফুটবলার প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে হেরে যান। এরপর নানা মহলে সমালোচিতও হন। এরপর একুশের লড়াইয়েও পদ্মশিবির তাঁকেই সৈনিক করেছে। হাওড়া দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে নামানো হচ্ছে তাঁকে। তবে নির্বাচনী লড়াইয়ে আর আগ্রহ নেই রন্তিদেবের। তিনি জানালেন,”জানলাম যে প্রার্থী তালিকায় আমার নাম আছে। তবে কোনও কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে চাই না। দলের হয়ে প্রচার করতে চাই।” অনেকেই বলছে তিনি হয়তো উনিশের হারের ব্যথা এখনও ভুলতে পারেননি? তাই নির্বাচনী লড়াই থেকে পিছিয়ে যাচ্ছেন?যদিও এ নিয়ে অবশ্য মুখে কুলুপ এঁটেছেন তিনি।

অন্যদিকে, আলিপুরদুয়ার জেলায় বিজেপির প্রার্থী নিয়ে ইতিমধ্যেই তুমুল ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলা বিজেপির সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা জানিয়েছেন, তাঁর অনুমতি না নিয়েই আলিপুরদুয়ার ও কালচিনি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ঠিক করেছে দল। দু’দিন আগে বিজেপিতে যোগ দেওয়া বিশাল লামাকে কালচিনি বিধানসভার প্রার্থী করা হয়েছে বলেও ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা। বিজেপির প্রার্থী ঘোষণার পর জেলার কার্যালয় ছেড়ে বেরিয়ে যান বিজেপি সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা।

26