Categories
খেলা

চতুর্থ টেস্টেও অনায়াস জয় বিরাটদের!

প্রত্যাশামতোই তিনদিনে শেষ হয়ে গেল আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আয়োজিত চতুর্থ টেস্ট। সৌজন্যে সেই স্পিনাররাই। প্রথম ইনিংসে চার উইকেট পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ উইকেট পেলেন অক্ষর প্যাটেল। অন্যদিকে, এই ইনিংসে অশ্বিনও পেলেন পাঁচ উইকেট। আর দু’ই স্পিনারের দাপটে প্রথম ইনিংসে ভারত যত রানের লিড পেয়েছিল, সেই ১৬০ রানই টপকাতে পারল না ইংল্যান্ড। অলআউট হয়ে গেল ১৩৫ রানে। টিম ইন্ডিয়া ম্যাচ জিতল ইনিংস এবং ২৫ রানে। পাশাপাশি সহজেই ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের টিকিট অর্জন করে নিলেন বিরাটরা। যেখানে তাঁদের আবার প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজটি যেন অস্ট্রেলিয়া সিরিজেরই পুনরাবৃত্তি। ডনের দেশে প্রথম টেস্ট হেরেও পরবর্তী তিন টেস্টের মধ্যে দু’টি জিতে সিরিজ পকেটে পুরেছিল টিম ইন্ডিয়া। তাও আবার ভাঙাচোরা দল নিয়েই। তারপর এই সিরিজেও প্রথম টেস্ট হেরেছিল ভারত। কিন্তু পরবর্তী তিনটি টেস্ট সহজেই জিতে নিলেন বিরাটরা। এই ম্যাচ শুরুর আগেই যাবতীয় পরিসংখ্যান পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে যেতে জয় কিংবা নিদেনপক্ষে ড্রয়ের দরকার ছিল টিম ইন্ডিয়ার। তবে ড্র নয়, ম্যাচের প্রথম দিন থেকেই জয়ের জন্য ঝাঁপিয়েছিল অশ্বিন-রাহানেরা। আর ম্যাচের রাশও ছিল তাঁদের হাতেই।
প্রথম দিনই ২০৫ রানে শেষ হয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ডের ইনিংস। তবে ব্যাট করতে নেমে বিপাকে পড়ে গিয়েছিল ভারতও। কিন্তু ঋষভ পন্থ, ওয়াশিংটন সুন্দর, অক্ষর প্যাটেলের ব্যাট ভারতকে ১৬০ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড এনে দেয়। তবে ঋষভ শতরান করলেও, দুর্ভাগ্যবশত তিন অঙ্কে পৌঁছতে পারেননি সুন্দর। উলটোদিকে সবাই আউট হয়ে যাওয়ায় ৯৬ রানে অপরাজিত থাকেন ভারতীয় দলের এই অলরাউন্ডার।
এদিকে, ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে ইংল্যান্ড। মাত্র ৬৫ রানেই ড্রেসিংরুমে ফিরে যান ছ’জন ইংরেজ ব্যাটসম্যান। এরপর ড্যান লরেন্স, বেন ফোকসরা কিছুটা লড়াই করলেও তা যথেষ্ট ছিল না। আসলে অক্ষর-অশ্বিনদের স্পিনের দাপটেই ১৩৫ রানে শেষ হয়ে যায় ইংরেজদের দ্বিতীয় ইনিংস। দুই স্পিনারই পাঁচটি করে উইকেট নিয়েছেন। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ রান লরেন্সের। তিনি ৫০ রান করেন।

34

Leave a Reply