৪/৩/২০২১,

ওয়েবডেস্কঃ ২০২০-২১ সালের আর্থিক বছরে পিএফ এ সুদের হার থাকছে ৮.৫০%। আগের বছরেও সুদের হার ছিল একই। কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ বাবু বৃহস্পতিবার জানান , শ্রীনগরে পিএফ এর ট্রাস্টি বোর্ডের এক বৈঠকে সুদের হার অপরিবর্তীত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

করোনা সংকটের মধ্যে পিএফ থেকে অনেক টাকা তুলেছেন অনেকেই। অনেকক্ষেত্রে জমাও পড়েনি ঠিকঠাক মতো টাকাও। তাই অনেকের ধারণা ছিল এবারে কমতে পারে পিএফ এর সুদের হার। ২০১৮-১৯ সালে পিএফের সুদের হার ছিল ৮.৬৫% । গতবছর মার্চ মাসে তা কমিয়ে করা হয় ৮.৫০%। এর আগে ২০১৫-১৬ সালে ছিল ৮.৮০%। ২০১৭-১৮ সালে যা দাঁড়ায় ৮.৫৫% তে।

গত বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেন , পিএফের যে গ্রহকরা ওই তহবিলে একবছরে আড়াই লক্ষ টাকা জমা করেছেন তারা আগামী মাসে থেকে ৮.৫০ % করমুক্ত রিটার্ন পাবেন না।

এবারের বাজেটে জানা যায় , চলতি আর্থিক বছরে রাজকোষ ঘাটতি পৌঁছতে পারে জিডিপি এর ৯.৫০% । করোনা অতিমারীর ফলে রাজকোষ ঘাটতির রেকর্ড হতে পারে ২০২০-২১ সালে।

সরকারের রাজস্ব বাবদ আয় ও ব্যায়ের মধ্যে যে ফারাক , তাকেই বলা হয় রাজকোষ ঘাটতি। ২০২১-২১ সালের আর্থিক বছরের ঘাটতি ৬.৮০% এ বেঁধে রাখার লক্ষ্য মাত্রা ঠিক করা হয়েছে। রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বলেন , আগামী আর্থিক বছরে ১২ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ করা হতে পারে। তার দাবি চলতি আর্থিক বছরে রাজকোষ ঘাটতির যে লক্ষ্য মাত্রা স্থির করা হয়েছিল তা কোভিডের জন্য পূরণ করা হয়নি।

রাজকোষ ঘাটতি জত বেশি হয় , সরকারকে তত বেশি ঋণ নিতে হয়। ফিসক্যাল রেসপন্সবিলিটি এন্ড বাজেট ম্যানেজমেন্ট আইন অনুযায়ী মাঝারি মেয়াদে রাজকোষ ঘাটতি বেঁধে রাখতে হয় ৩% এ।

আর্থিক ঘাটতির মোকাবিলা করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার চারটি মাঝারি মাপের ব্যাংক বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এই চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক বেসরকারীকরনের জন্য
শর্টলিস্ট করা হয়েছে, তাদের মধ্যে আছে ব্যাংক অফ মহারাষ্ট্র, ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাংক এবং সেন্ট্রাল ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া। সূত্রে খবর, চারটির মধ্যে অন্তত দুটি ব্যাংক কে ২০২১-২২ সালের মধ্যে বিক্রি করে দেওয়া হবে। সরকার প্রথমে ছোট ও মাঝারি মাপের ব্যাংকগুলো বেসরকারি করনের দিকে নজর দিয়েছেন। তাতে সাধারণ মানুষের কি প্রতিক্রিয়া হয়, তা লক্ষ্য করে বড়ো মাপের ব্যাংকগুলো বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

19