ওয়েবডেস্কঃ প্রজাতন্ত্র দিবসের সকালে দিল্লির রাজপথে নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই সকাল ৮টা নাগাদ দাপিয়ে বেড়ালেন প্রতিবাদী কৃষকরা । সিংঘু সীমান্তে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে অবাধে ভাঙচুর করে পুলিশের গাড়ি, বাস কৃষকরা।বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে চলেছে জলকামান, ফাটানো হয়েছে কাঁদানে গ্যাসের শেলও। কার্যত অগ্নিগর্ভে পরিণত হয়েছে দেশের রাজধানী। এই হিংসাত্মক পরিস্থিতি নিয়ে দুশ্চিন্তা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলেও।

রাহুল গান্ধি এদিন নিজের টুইটে লেখেন, হিংসা কোনও দিন “কোনও পরিস্থিতির সমাধান হতে পারে না। যদি এই পরিস্থিতিতে কেউ আহত হন তাহলে ক্ষতি আমাদের দেশেরই হবে। কৃষিবিরোধী এই আইন বাতিল করা হোক”।
উত্তর-পূর্ব দিল্লির বিজেপি সাংসদ গৌতম গম্ভীর জানান, হিংসা ও ভাঙচুর আমাদের কোথাও নিয়ে যাবে না। আমি সবাইকে শান্তি ও সম্মান বজায় রাখার আহ্বান জানাই। আজ এমন বিশৃঙ্খলার দিন নয়।
তিরুবনন্তপুরমের কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর টুইটে জানান, ঘটনাটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমি শুরু থেকেই কৃষকদের আন্দোলনকে সমর্থন করে এসেছি। তবে আমি অনাচারকে সমর্থন করতে পারবো না। প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন ভারতের তেরঙ্গা ছাড়া অন্য কোনও পতাকা লাল কেল্লায় ওড়ানো উচিৎ নয়।

30