১৭/১/২০২১,ওয়েবডেস্কঃ

দীর্ঘ আলাপ-আলোচনার পর অবশেষে সংসদ শতাব্দী রায়ের মানভঞ্জন করতে সক্ষম হলো তৃণমূল। শুক্রবার রাতে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে মিটেছে সমস্যা। আর তারপরেই অভিষেকের  রীতিমতো প্রশংসা করেছেন অভিমানী সাংসদ শতাব্দি রায়। এরপরেই রবিবার শতাব্দি রায় কে দলে থাকার জন্য বিরাট পুরস্কার দিল তৃণমূল সরকার। তাকে দলের রাজ্য কমিটির সহ-সভাপতি করল শাসক দল। যদিও একই সঙ্গে মোয়াজ্জেম হোসেন ও শংকর চক্রবর্তী কেউ সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়ে শতাব্দি বলেন,” আমি দলের কাছে কৃতজ্ঞ। এই দায়িত্ব অনেক বড়। মন দিয়ে কাজ করতে হবে। তৃণমূলের ছিলাম, আছি, থাকব। তৃণমূলী আগামী ভোটে জিতবে।” তাহলে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখালেন কেন? শতাব্দীর উত্তর একসঙ্গে কাজ করতে গেলে নানান সমস্যা হয়। তার মিটে গেছে।এখন তো আর কোনো সমস্যা নেই। শতাব্দী মানভঞ্জনে এর পরে যে সকল নেতা-নেত্রীরা বেসুরো গান গাইছেন তারা যাতে প্রকাশ্যে ক্ষোভ-বিক্ষোভের কথা বলে প্রতিপক্ষের সুবিধা করে না দেন এবং একসঙ্গে কাজ করেন সেই আহ্বান জানিয়েছেন বীরভূমের সাংসদ।

58