১৩/১/২০২১,ওয়েবডেস্কঃ

অবশেষে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ ও অ্যালকেমিস্ট কর্তা কেডি সিংকে আজ গ্রেপ্তার করেছে ইডি। এই ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে উত্তপ্ত রাজনৈতিক মহল। প্রাক্তন তৃণমূল নেতার চিটফান্ড কাণ্ডে এই গ্রেপ্তারিকে হাতিয়ার করে রাজ্যের শাসকদলকে বিঁধছে বিরোধী দলগুলি। পালটা জবাবে তৃণমূলের দাবি, কেডি সিংয়ের সঙ্গে এখন তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। বরং উনি আদতে অধুনা বিজেপি নেতা মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ। এদিকে আবার কেডি সিং গ্রেপ্তারি ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধোনা করতে শুরু করেছে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারীও। তাঁর কথায়, “এই চিটফান্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের টাকা লুঠ করেছেন তৃণমূল নেতারা। পঞ্জি স্কিমের আড়ালে হাজার-হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। এবার তাদের সম্পত্তি বেচে গরিব মানুষের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।” একইসঙ্গে তাঁর কটাক্ষ, “কান টানলেই মাথা আসে। এবার রাঘব বোয়ালরা ধরা পড়বেন।”

অন্যদিকে রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদের গ্রেপ্তারি নিয়ে বিজেপি নেতা মুকুল রায়কে বিঁধেছেন তৃণমূল নেতা ও মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, “কেডি সিংকে দলে এনেছিল মুকুল রায়। তাঁকে নিয়ে দলকে ভুলও বুঝিয়েছিলেন উনি। বরং অ্যালকেমিস্ট থেকে টাকা পেয়েছেন মুকুল। তাই তাঁকে এখনই গ্রেপ্তার করা হোক।”  তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র কুণাল ঘোষের দাবি, “কেডির দোষ থাকলে তাঁকে গ্রেপ্তার করুক। কিন্তু নির্বাচনের আগে চমক দেওযার জন্য এই পদক্ষেপ হলে তৃণমূল আন্দোলনে নামবে।”

সব মিলিয়ে প্রাক্তন ও বর্তমান তৃন- বিজেপি নেতাদের এহেন বাকযুদ্ধ দেখে ইতিমধ্যেই বাম কংগ্রেস জোটের অনেকেই একে অভ্যন্তরীণ গৃহ বিবাদ বলে কটাক্ষ করতেও ছাড়ছেন না।

30