৭/১/২০২১,ওয়েবডেস্কঃ

করোনার নতুন স্ট্রেন নিয়ে নাজেহাল অবস্থা ব্রিটেনের। এর মধ্যেই ব্রিটেন থেকে ২৪৬ জন যাত্রী নিয়ে দিল্লি ফিরছে ভারতীয় বিমান। আজ এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান দিল্লিতে অবতরণ করার কথা রয়েছে। আর এই নিয়েই বাড়ছে উদ্বেগ । প্রসঙ্গত, শুক্রবারই ব্রিটেন থেকে যাত্রীবাহী বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ভারত সরকার। যার ফলেই ২৪৬ জন যাত্রী নিয়ে ব্রিটেন থেকে দেশে ফিরছে বিমানটি।

করোনার নতুন স্ট্রেন হদিস পাওয়ার পর থেকে গত ২৩ ডিসেম্বর ব্রিটেন এবং ভারতের মধ্যে যাবতীয় উড়ান বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। তবে বুধবার ভারত-ব্রিটেন উড়ান চালু করা হয়। এর পর শুক্রবার ব্রিটেন থেকে বিমান চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হল। সরকারি সূত্রের খবর, এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে দু’দেশের মধ্যে মোট ৩০টি উড়ান চলাচল করবে। এর মধ্যে ১৫টি করে বিমান ভারত এবং ১৫টি ব্রিটেনের বিমান সংস্থার উড়ান। আপাতত আগামী ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত এই ব্যবস্থা চালু থাকবে।

অন্য দিকে কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে আম আদমি পার্টির প্রধান তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, ‘ব্রিটেনের বিমানের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। তবে ব্রিটেনের করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রের কাছে অনুরোধ, ওই নিষেধাজ্ঞা যেন ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়।’ দিল্লিতে ইতিমধ্যেই ১৩ জনের শরীরে করোনা নতুন স্ট্রেন ধরা পড়েছে। অন্যদিকে, ভারতে ওই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩। এই পরিস্থিতির কথা ভেবে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, অত্যন্ত কঠিন অবস্থার মধ্যে দেশের করোনা পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে। তা হলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে ফের কেন মানুষকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেজরিওয়াল।

অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি অবশ্য জানিয়েছেন, অবতরণের পর প্রত্যেক যাত্রীকেই নিজখরচে করোনা টেস্ট করাতে হবে। পাশাপাশি, ব্রিটেন থেকে ভারতের বিমানে ওঠার ৭২ ঘণ্টা আগে সমস্ত যাত্রীকে সেদেশে করোনা টেস্ট করতে হবে। ওই টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ এলে তবেই উড়ানের অনুমতি পাওয়া যাবে। দেশে আসার পর প্রত্যেক যাত্রীকে ওই টেস্ট রিপোর্ট দেখাতে হবে। সেই সঙ্গে রিপোর্ট নেগেটিভ হলেও সমস্ত যাত্রীর ১৪ দিনের কোয়ারান্টিনে থাকা বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

44