আফতাব হোসেন

“একটা চাদর দিবি ।

গায়ে দুব । গরিব । কিনতে লারি । ভিক্ষা লয় । গতরে শোধ দুব “।

এগারো বছরে বাপ মরলো দারুতে । সাড়ে এগারো তে মায়ের বোঝা । এগারো চুয়ান্ন তে পর ঘরে । এগারো উনশাটে রক্ত যোনি । শরীর শেখার আগেই মন মরলো । বদরক্ত শুরুর আগেই লজ্জায় জটলা পাকিয়ে প্রথমটা তিনমাসে খালাস । তখন থেকেই শালী হাফ রেন্ডি ।

মরদ টা ভালো ছিল । শরীরে । মনে অনেক দাগ । শরীরে যত তাগদ মনে তত ভয় । মনের ভয় মারে বেরোত নয়তো ঠাপানে । কিছুই না পারলে সন্দেহে ।

মাগী আবার প্রাইমারি স্কুল এর গন্ডির । শরীরে , মারে,ঠাপানে,সন্দেহে সবেতেই চুপ । দ্বিতীয়টা রক্তের লোহার কমতিতে মরলো সাড়ে চার মাসে । 

মাগী তখন থেকেই তিন আনার রেন্ডি । আগের থেকে এক আনার প্রমোশন ।

হরেন মাস্টার তিন ক্লাসে শিখাত সুখের কথা । নেশা লাগতো চোখে । নেশার নেশা খুব হারামি । বাপটাকে নিল মায়ের মাঝ যৌবনে । মায়ের কেউ নাই দুকূল । মনে হয়ত । কুজু কাকার শরীরে দেখেছিল একদিন মাকে । সেদিন থেকেই মাগী ঘরগুষ্টির বোঝা । মরদটা যত ভিতরে যেত তত মায়ের মুখটা মনে পড়তো । পাপ লাগতো মনে । অস্থির হত খুব । মরদটার সুখ হত না মনে হয় । পেটে কষিয়ে দু লাথ । তিন নম্বরটা গেল একমাসের ও কম সময়ে । খানকি তখন থেকে পুরা চার আনার মাগী । সাথে বাঁজা । ডবল প্রমোশন ।

মাগীর এখন সবে ছাব্বিশ । দেখলে একশ । সবাই বলে ঝুনি ক্ষেপি । সারা শরীর একগাদা চুলকানি । রিকসবালা থেকে বড়লোকের বড় ধনবালা সবার পাপ শরীরে নিয়ে বড্ড চুলকায় । চুলকে চুলকে সাদা দাগ করে মনে করার চেষ্টা করে আম কুড়ানোর সেই চামড়াকে । চুলকানি যখন ঘা হয়ে থামে । পুঁজের ব্যাথায় মরদটার সুখের মুখটাও মনে পড়ে । 

ম্যা গো বলে ঘেন্নাপিত্তিতে সরে যাওয়া বউ গুলাকে দেখে হরেন মাস্টার এর সুখের কথা মনে পড়ে । পুটলি করে শীতে দুধ খাওয়া কুত্তার বাচ্চাগুলোকে দেখে নিজের শুকনা ছিঁড়া দুধ না জমে পুঁজ জমা বোটাটাও বড্ড মনে পড়ে । কুয়াশার ভোরে যখন জীবনবিজ্ঞান বাঁজা গর্তে ভুল করে চলে আসে ঘুমের ঘরে তখন কুজু কাকার শরীরে মা এর মুখটা মনে পড়ে । নিজেই নিজের অহংকার হতে না পারা অলঙ্কারে হাত দিয়ে শীৎকার করে মনে হয় ।

বলেছিলাম না শালী পুরো খানকি মাগী । সব্বাই বলে ।

চাদর চেয়েছিল । দিইনি । 

যদি সুখ পেয়ে যায় । সুখের নেশা বড্ড নেশা । আর নেশার নেশা বড্ড হারামি । কাউকে ছাড়েনা ।

শালী সুখ না পেয়েই মরুক ।

ঈশ্বরের ও গ্লানি হোক ।

আমি তো কানা কাফের ছিলাম ই ।

60