Categories
রাজ্য

গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতির তদারকিতে শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়

৩০/১২/২০২০,ওয়েবডেস্কঃ

সামনেই পৌষ সংক্রান্তি।বসবে গঙ্গাসাগর মেলা। বহু যুগ প্রাচীন এই মেলা নিয়ে রাজ্য বাসীর আগ্রহ তো আছেই।সেই সাথে সুচারু রুপে মেলার প্রস্তুতি নেওয়াটাও রাজ্য সরকারের কাছে বড়ো চ্যালেঞ্জ ।

বিরোধীরা ‘খেলামেলার’ সরকার বলে কটাক্ষ করলেও ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বাংলার মেলা গুলিকে বিশেষভাবে জাঁকজমকপূর্ণ করে তুলতে উদ্যোগে খামতি রাখে না মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকার।এবছরও তাই গঙ্গাসাগর মেলায় কোন খামতি রাখতে চাইছ না রাজ্যের প্রশাসন অধিকর্তারা।

এবছর বিধানসভা ভোটের আগে এবছরের গঙ্গাসাগর মেলা মমতা সরকারের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মেলার জন্য আর হাতে রয়েছে মাত্র কয়েকদিন। তার মধ্যেই কাজের মধ্যে কোনো কিছু খামতি যাতে না থাকে তা দেখতে তড়িঘড়ি গঙ্গাসাগরে গিয়ে পৌঁছলেন রাজ্যের বিদ্যুৎ দপ্তরের মন্ত্রী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় ও গঙ্গাসাগরের তৃণমূল বিধায়ক বঙ্কিম হাজরা।

এবছর গঙ্গাসাগরে প্লাস্টিক বর্জন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সরকারি তরফ থেকে। যেসমস্ত দোকানদার প্লাস্টিক করে দ্রব্যাদি বিক্রি করছে তাদের কাছ থেকে প্লাস্টিকের ব্যাগ ফেরত নিয়ে কাগজের প্যাকেট তাদের হাতে তুলে দিয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন যে, গঙ্গাসাগর মেলার ক’দিন কোন িদ্যুৎ কোন ঘাটতি হবে না।

এছাড়াও তিনি জানান যে,প্রতিদিন গঙ্গাসাগর মেলা প্রাঙ্গণে স্যানিটাজার করা হবে ।দশলক্ষ মাস্কের ব্যবস্থাও করা হবে। মেলা প্রাঙ্গণে থাকবে তিনটি অস্থায়ী কোভিড হোম।

সারা বিশ্বেই যখন বড় বড় ধর্মীয় ও সাউথ অনুষ্ঠান এবছর করোনা ভাইরাসের জন্য বন্ধ করতে দেখা গেছে তখন গঙ্গাসাগরের মত লক্ষাধিক মানুষের ভিড় যেখানে হয় সেই ধরনের মেলা অনুষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে কেন রাজ্য সরকার এত উৎসাহ কেন দেখাচ্ছে তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তাদের মতে, এবছর যখন অনেক কিছুই বন্ধ করা হয়েছে তখন এই মেলা নয় কেন? এই মেলার পর রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গেলে তার দায়িত্ব কে নেবে বলে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

62

Leave a Reply