Categories
রাজনীতি

বিজেপির কাজে অসন্তুষ্ট শরিক দল জেডিইউ। তবে কি বিহারে মুখ্যমন্ত্রী বদল আসন্ন ?

২৮/১২/২০২০,ওয়েবডেস্কঃ

অবশেষে কি বিহারে ভাঙন আসতে চলেছে জেডিইউ বিজেপি সখ্যতায়?‌ গত কয়েকদিনে যেভাবে দুই শরিকের সম্পর্কের অবনতি ঘটছে, তাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। রবিবারই দলের সর্বভারতীয় সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। জেডিইউ এর নয়া জাতীয় সভাপতির পদে আনা হয়েছে দলের রাজ্যসভার সাংসদ রামচন্দ্র প্রসাদ সিংকে। তিনি আবার নীতীশ কুমারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলেই রাজনীতিতে পরিচিত। নীতিশের মতো তিনিও বিহারের নালন্দা জেলারই বাসিন্দা। তবে এই ঘোষণার পরই বোমা ফাটান নীতীশ। জানান, চাপের মুখেই মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছেন। তাঁর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার কোনও ইচ্ছে ছিল না। কে এই চেয়ারে বসল, তাতে নাকি তাঁর কিছুই যায় আসে না। প্রসঙ্গত কিছুদিন আগেই বিহার নির্বাচনে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে লালুপ্রসাদের আর জে ডি। কিন্তু তারপরেও জেডিইউ এবং বিজেপি জোট সরকার গড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন নীতীশই। কিন্তু এরপর থেকেই দু’‌দলের সম্পর্কে অবনতি ঘটতে শুরু করেছে। এর মধ্যেই আবার অরুণাচল প্রদেশে নিজের এই শরিকেরই ঘর ভেঙেছে বিজেপি। অরুণাচল বিধানসভায় নির্বাচিত জেডিইউয়ের ৬ বিধায়ক একসঙ্গে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। ফলে উত্তর-পূর্বের রাজ্যটিতে প্রধান বিরোধী দলের তকমা হারিয়েছে নীতীশ কুমারের দল। আপাতত নীতীশের দলের হাতে রয়েছে একজন মাত্র বিধায়ক। আর এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে বিহারেও। এরপরই তড়িঘড়ি দলে একাধিক পরিবর্তন এনেছেন নীতীশ। আর তারপরই তাৎপর্যপূর্ণভাবে এমন বক্তব্য রেখেছেন। সূত্রের খবর, দলের বৈঠকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‌‘‌লোকে বলছে বিজেপি বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদ চাইছে। আমার তাতে কিস্যু যায় আসে না। আমার কোনও পদের প্রয়োজন নেই। ভোটের ফলাফলের পরই নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েও ছিলাম। কিন্তু জোটের চাপেই আমাকে ফের এই আসনে বসতে হয়েছে।’‌’‌ সব মিলিয়ে শীতের মরসুমেও উত্তপ্ত বিহার রাজনীতি।

63

Leave a Reply