ওয়েব ডেস্ক ডিসেম্বর, ২২,২০২০: রাজ্য এক  দপ্তর এক। শুধু স্থানভেদে পৃথক নিয়ম। এই পৃথক নিয়মের জন্যই সমস্যার সম্মুখীন ডুয়ার্স ভ্রমণকারী পর্যটকরা। গরুমারা জাতীয় উদ্যানে কোনও পরিবারের ছয়জন সদস্য কার সাফারির টিকিট বুক করলে একটি গাড়িতে ছয়জনকে বসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। অথচ জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের ক্ষেত্রে অন্য নিয়ম। এখানে একটি গাড়িতে চারজনের বেশি বসার সুযোগ দেওয়া হয় না। ফলে দেশ-বিদেশ থেকে ঘুরতে আসা পর্যটকরা একই রাজ্যে দুই রকম নিয়মের জাঁতাকলে পড়ে বিপাকে পড়েছেন।

অভিযোগ উঠেছে, গরুমারা জাতীয় উদ্যানে কার সাফারির ক্ষেত্রে কোনও শেয়ার সিস্টেম নেই। কিন্তু জলদাপাড়ায় শেয়ার সিস্টেম চালু রয়েছে। লাটাগুড়ি রিসর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েনের সম্পাদক দিব্যেন্দু দেব বলেন, এখানে কার সাফারির জন্য কোনও পরিবারের ছয়জন সদস্য একসঙ্গে অনলাইন টিকিট বুকিং করলে ছয়জনকে একটি গাড়িতে বসতে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, অন্যদের ক্ষেত্রে যদি দুজন বা তিনজন অনলাইনে টিকিট বুকিং করেন তাহলে ওই গাড়িতে দুজন বা তিনজনকে গোটা গাড়ি নিতে হচ্ছে। কোনও শেয়ার সিস্টেম চালু নেই। জলদাপাড়া লজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েনের সভাপতি জওহরলাল সাহা বলেন, এখানে একটি গাড়িতে চারজনের বেশি নেওয়া হয় না। এখানে শেয়ার সিস্টেম চালু রয়েছে। গরুমারা জাতীয় উদ্যানে ঘুরে এসে প্রচুর পর্যটক এই অভিযোগ তুলছেন। সরকারি নির্দেশিকা রয়েছে, একটি গাড়িতে চারজনের বেশি সাফারি করা যাবে না। তাহলে গরুমারায় কী করে একটি গাড়িতে ছয়জনকে তোলা হচ্ছে? শেয়ার করে চারজনকে তোলা হচ্ছে না।

 গরুমারা জাতীয় উদ্যানের বনাধিকারিক নিশা গোস্বামী ব্যাপারটি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

45