২৩/১১/২০২০,ওয়েবডেস্কঃ

করোণা আবহে দেশের প্রায় সমস্ত উৎসব পালিত হয়েছে করোনা বিধি মেনে। গণেশ চতুর্থী থেকে শুরু করে দুর্গাপূজা, দশেরা, দীপাবলি সকল ক্ষেত্রেই জনসমাগমের করা নিষেধাজ্ঞা ছিল প্রশাসনের তরফে। জনগণের সুরক্ষায় তা ভালোভাবে মেনে চলাও হয়েছিল। কিন্তু কুম্ভমেলার মতন বহু জনসমাগমের উৎসবে কেন রাশ টানার কথা ভাবা হচ্ছে না। কুম্ভ মেলায় গঙ্গাতীরে প্রায় ত্রিশ লক্ষ মানুষের জমায়েত কি আদৌ সম্ভব শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা। এমন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে উত্তরাখণ্ডের সরকারের সিদ্ধান্তে। জানা গেছে আগামী বছরের 14 ও 15 তারিখ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে কুম্ভ মেলা। গঙ্গার তীরে পবিত্র স্নান করতে সাধু সন্ন্যাসী দের সমাগম যেমন হবে তেমন ভিড় করে সাধারণ মানুষের। আগামী বছর 14 জানুয়ারি থেকে হরিদ্দার এর শুরু হওয়ার কথা পবিত্র এই মেলা। মেলা উপলক্ষে রবিবার অখিল ভারতীয় আখড়া পরিষদের সঙ্গে আলোচনায় বসে ছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান এই পরিস্থিতিতে মেলা কতদিন ধরে হবে তা বিচার্য বিষয়। তা পরিষদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পুণ্যার্থীদের যাতে কোনরকম সমস্যা না হয় সেদিকে তৎপর আমাদের সরকার। অন্যদিকে কুম্ভমেলার দায়িত্বে থাকা অফিসার জানান, নতুন ঘাট, সেতু ও রাস্তা তৈরি হয়েছে। পরিচ্ছন্নতায় বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি অর্থাৎ প্রায় একমাস আগে সব কাজ শেষ হয়ে যাবে রাজ্যের মন্ত্রী জানিয়েছেন। 35 থেকে 50 লক্ষ মানুষের সমাগম হতে পারে কুম্ভ মেলায়। সবকিছু সময়মতো ব্যবস্থা করা হবে। তারপরেও প্রশ্ন রয়ে যায় এত লক্ষ মানুষের সমাগম করোনা বিধি মেনে নিয়ন্ত্রণ করা কি আদৌ সম্ভব নাকি সেখান থেকেও ছড়িয়ে পড়বে করোনাভাইরাস দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

45