ওয়েব ডেস্ক,অক্টোবর ১৪,২০২০: করোনা কে বালিশ করে ফেলেছেন তাঁরা। আক্ষরিক অর্থেই করোনার পাশেই শয্যা পেতেছেন তাঁরা তাও রীতিমতো মশারি খাটিয়ে। দায়ী কিছুটা তাদের দায় ও কিছুটা অজ্ঞতা। 

রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের  লালার নমুনা সংগ্রহ করার জায়গায় রাতের বেলা রোগীর পরিবারের লোকেরা রীতিমতো বিছানা পেতে, মশারি খাটিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। এর ফলে যেকোনও মুহূর্তে রোগীর পরিবারের লোকেদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ মহামারির আকার নিতে পারে। যদিও রোগীর পরিবারের লোকেদের অভিযোগ, হাসপাতাল চত্বরে রোগীর পরিবারের লোকেদের জন্য কোনও প্রতীক্ষালয় নেই। ফলে তাঁদের বাধ্য হয়ে হাসপাতালের সামনে ওই এলাকায় রাত কাটাতে হয়।

জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন কয়েকশো রোগী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসেন। তাঁদের বাড়ির লোকেরা হাসপাতালের বাইরে যেখানে করোনা রোগীদের লালার নমুনা সংগ্রহ করা হয়, সেখানেই বিছানা পেতে ঘুমোতে বাধ্য হন। একটি প্রতীক্ষালয় থাকলেও সেটি এখন করোনা চিকিৎসাকেন্দ্রে পরিণত করা হয়েছে। ফলে চরম বিপাকে রোগীর পরিবারের আত্মীয়রা। 

করোনা পরিস্থিতিতে রোগীর পরিবারের লোকেরা আশেপাশের আত্মীয়র বাড়িতে থাকবে তারও উপায় নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে শহরের বাইরে থেকে আসা লোকজনদের আত্মীয়রাও তাঁদের বাড়িতে থাকতে বলেন না। এছাড়া রাতবিরেতে বিভিন্ন প্রয়োজনে রোগীর পরিবারের লোকেদের দরকার হয়। ফলে পরিবারের লোকেদের হাসপাতালের বাইরেই অপেক্ষা করতে হয়। নিরুপায় হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এক থেকে দেড়শো রোগীর আত্মীয়রা এভাবে প্রতিদিন করোনা টেস্টিং সেন্টার লাগোয়া এলাকায় থাকছেন। এমন অবস্থায় সংক্রমণের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না হাসপাতালের চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্যকর্মীরা।

142