ওয়েবডেস্ক, অক্টোবর,১৪,২০২০: শ, দেড়শো কিলোমিটার পর পর  রয়েছে টোল। সুবিধা রয়েছে ফাস্টট্যাগের। কিন্তু ফাস্ট ট্র্যাক নেই। মন্থর গতির ট্রাফিক চলছে খুঁড়িয়ে কোথাও গোড়ালি ডোবা র্গত। কোথাও বা বৃষ্টির জলে ধুয়ে গিয়েছে রাস্তা। তাতে অত্যন্ত বিপজ্জনক ভাবে হেলতে দুলতে চলছে পণ্যবাহী গাড়ি ও যাত্রীবাহী দূরপাল্লার বাস।

রায়গঞ্জ থেকে ডালখোলা বাইপাসের কাজও চলছে অত্যন্ত ধীর গতিতে। ফলে জাতীয় সড়কে যানজট ও দুর্ঘটনা বাড়ছে। রায়গঞ্জ থেকে ডালখোলা ৪০ কিমি রাস্তা যেতে সময় লাগছে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা। অথচ এক ঘণ্টার বেশি সময় লাগার কথা নয়। বেহাল রাস্তা নিয়ে ক্ষোভ বেড়েছে জেলাবাসীর। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ রক্ষা করে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক। কিন্তু সংস্কারের অভাবে তা একেবারেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বর্ষায় ওই রাস্তা আরও বিপজ্জনক আকার ধারণ করেছে। রায়গঞ্জের রুপাহারের বাসিন্দা সুব্রত দেবপাল জানান, প্রায় দুবছর আগে রায়গঞ্জ ও ডালখোলা বাইপাসের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত ধীরগতিতে কাজ চলছে।ফলে যাতায়াতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে এলাকাবাসীদের।

 জাতীয় সড়ক বেহাল হয়ে থাকায় দূরদূরান্ত থেকে মালপত্র আনতে ব্যবসায়ীদের খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে। ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা। 

63