ওয়েব ডেস্ক অক্টোবর ১০,২০২০: বৃহস্পতিবার বিজেপির বিক্ষোভের সময় এক শিখ ধর্মালম্বী ব্যক্তির পাগড়ি ধরে টানাটানির ঘটনার তীব্র নিন্দা করে শোক প্রকাশ করেছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। শুক্রবার রাতে মিঃ সিংয়ের মিডিয়া পরামর্শদাতা রবীণ থুকরাল টুইট করেছেন, “Not Done @WBPolice

  একজন শিখ যুবকের সাথে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অবমাননাকর আচরণের জন্য শোক প্রকাশ করেছেন, পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী @ ক্যাপ্ট_আমরিন্দার”

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী তাঁর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে “শিখ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ বিরুদ্ধে” কঠোর পদক্ষেপ নিতে বলেন।

শিরোমণি আকালি দলের সভাপতি সুখবীর সিং বাদলও এই ন্যক্কারজনক হামলার নিন্দা করেন।

বৃহস্পতিবার  হাওড়ায় বিজেপির মেগা বিক্ষোভ চলাকালীন একটি ভিডিওতে দেখা যায় যে পুলিশ এক বিক্ষোভকারীর পাগড়ি ধরে টানছেন। ৪৩ বছরের ঐ শিখ ধর্মাবলম্বী ব্যক্তি আদতে ভাটিণ্ডার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়ে ভিডিওটি।

বিতর্কটি সৃষ্টি হওয়ার কয়েক ঘন্টা পরে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ থেকে জানানো হয় যে ঐ শিখ যুবকের পাগড়ীতে একটি পিস্তল ছিল। ঐ পিস্তল জব্দ করার জন্য টানা হ্যাচরা করতেই তার পাগড়িটি খুলে যায় এটা ইচ্ছাকৃতভাবে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের তরফ থেকে করা হয়নি। কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের উদ্দেশ্য নয়।

বিতর্কের সূত্রপাত হয় যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে ক্রিকেটার হরভজন সিং টুইট করেন : “দয়া করে বিষয়টি দেখুন, এটি করা ঠিক হয়নি।”

পুলিশ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তির কাছ থেকে একটি গুলিভর্তি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। পিস্তলের লাইসেন্সটি আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত বৈধ।

এতে আরও বলা হয়েছে যে সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্তা তাকে গ্রেফতারের আগে তাকে পাগড়ী পরে নিতে বলেন। 

শিরোমণি আকালি দলের সভাপতি শ্রী বাদল বলেন যে শিখ ব্যক্তিটি একজন সুরক্ষা আধিকারিক ছিলেন এবং পুলিশ তার সাথে যেভাবে আচরণ করেছিল তা বিশ্বব্যাপী শিখদের মর্মাহত ও হতাশ করেছে।

তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে “সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের” দাবি জানান।

37