রবিবার ভর সন্ধেবেলায় টিটাগড় থানার কাছে মোটর সাইকেলে একদল দুস্কৃতী রিতিমত ফিল্ম কায়দায় বিজেপি পার্টি অফিসে হানা দিয়ে পরপর দশ রাউন্ড গুলি চালিয়ে খুন করলো সাংসদ অর্জুন সিং ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লাকে। পিঠ, বুক সহ শরীরের কয়েকটি জায়গায় গুলি লাগে মনীশ বাবুর। মণীশ শুক্লার মৃত্যুর প্রতিবাদ জানিয়ে ট্যুইট করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

মারাত্মকভাবে আহত হন এই বিজেপি নেতা। ওই অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় কলকাতায়। ইএম বাইপাসের ধারে অ্যাপোলো হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা পর্যবেক্ষণের পর জানায় মনীশ শুক্লার মৃত্যু হয়েছে। এদিকে আচমকা এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর বেজায় ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বেশি রাত পর্যন্ত টিটাগড়ে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তারা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে বিশাল পুলিশ বাহিনীকে ঘটনাস্থলে নামাতে হয়। এলাকায় রয়েছে চাপা উত্তেজনা

পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন সন্ধের সময় টিটাগরের বিজেপি পার্টি অফিসের কাছে ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দু’বছর আগেও এই টিটাগরেই মনীশ শুক্লার ওপর প্রাণঘাতী হামলা হয়েছিল। তবে সেবার কোনওমতে রক্ষা পান তিনি। সেবারও ঘটনাটি নিয়ে অনেক জল ঘোলা হয়।

স্বাভাবিকভাবেই ঘটনার পর বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তৃণমূল এখন খুনের রাজনীতি শুরু করেছে। সাংসদ অর্জুন সিং বলেছেন, মণীশের সঙ্গে আমারও টিটাগড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অন্য কর্মসূচি থাকায় আমিও একটুর জন্য রক্ষা পেলাম। তবে যেভাবে তৃণমূল রাজনীতি করতে চাইছে তা খুবই খারাপ হচ্ছে। পাল্টা স্থানীয় তৃণমুল সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণ এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে এর সঙ্গে তৃণমূলের কোন যোগসূত্র নেই।

উল্লেখ্য ম্নীশ শুক্লা বামপন্থী রাজনীতি থেকে নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু করেন। পরবর্তীকালে তৃণমূলে যোগ দেন এবং সাম্প্রতিককালে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি টিটাগড় পুরসভার কাউন্সিলর ছিলেন।

35