অনলাইনে ট্রেড ইউনিয়নগুলির জাতীয় কনভেনশন থেকে ৭দফা দাবিতে এই ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দেশের মানুষের আয় বাড়ানোর দাবি তুলবে ২৬নভেম্বর। সাধারণ ধর্মঘট দাবি জানাবে, আয়করদাতা নয়, এমন সমস্ত পরিবারে মাসে নগদ ৭৫০০টাকা করে দিতে হবে। রেশনে মাথাপিছু মাসিক ১০কেজি খাদ্যশস্য দিতে হবে। মহামারীর সময়ে চরম আর্থিক সঙ্কটে লক্ষ লক্ষ মানুষ কাজ হারিয়েছেন। বহু কলকারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। নতুন কর্মসংস্থান হচ্ছে না। মানুষের কোনও রোজগার নেই। সে সময় মোদী সরকার শ্রমিক-কৃষকের আয় বৃদ্ধির উদ্যোগ না নিয়ে কর্পোরেটের আয় বিপুল হারে বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। কর্পোরেটকে মুনাফার তোফা দিতে জোরজবরদস্তি করে বিপজ্জনক কৃষি আইন ও শ্রম আইন তৈরি করেছে। মানুষের জীবন-জীবিকার দাবি আদায়ে তাই ধর্মঘটের পথে যেতে বাধ্য হচ্ছে শ্রমিকশ্রেণি। ট্রেড ইউনিয়নগুলি স্পষ্ট জানিয়েছে, শুধু নভেম্বরে এক দিনের সাধারণ ধর্মঘট নয়, সেদিন থেকে আরও বড়ো আন্দোলনের সূচনা হবে।

ধর্মঘটের আহ্বায়ক সিআইটিইউ, এআইটিইউসি, আইএনটিইউসি, এইচএমএস, এইউটিইউসি, টিইউসিসি, সেবা, এআইসিসিটিইউ, এলপিএফ এবং ইউটিইউসি ট্রেড ইউনিয়নগুলি জানিয়েছে, মোদী সরকার একের পর এক শ্রমিক-কৃষক ও জনবিরোধী নীতি গ্রহণ করে চলেছে। গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। মহামারীর সময়ে মানুষের জীবন-জীবিকা বিপন্ন। তাঁদের আয় নেই। এই সময়ে বিপন্ন মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে দমনপীড়নের নীতি নিয়ে চলছে মোদী সরকার। এই আক্রমণ প্রতিহত করতে ধর্মঘটের পথে যেতে বাধ্য হচ্ছেন শ্রমিকরা।

58