২৮/৯/২০২০,ওয়েবডেস্কঃ : পুষ্প করের পেশা মাছ ধরা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসিন্দা পুষ্প কর বাড়ির পাশে নদীর খাঁড়িতে জাল ফেলে যা মেলে, তা দিয়েই কোনওরকমে দিন গুজরান করেন বহু কাল থেকে।কিন্তু আচমকাই একটিমাত্র মাছ পুষ্পদেবীর ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিলো! রাতারাতি লাখপতি হয়ে গেলেন বৃদ্ধা!

গল্পটা দারুণ তাই না? আসুন জেনে নিই ঘটনা টা আসলে কি? অন্যান্যদিনের মতোই এদিনও খাঁড়িতে জাল ফেলে এসেছিলেন তিনি। নির্দিষ্ট সময়ে গিয়েছিলেন জাল তুলতে। জাল টানতেই অবাক পুষ্প কর। কারণ, ততক্ষণে তিনি বুঝে গেছেন রোজকার মতো জালে চুনোপুঁটি নয়, যা ধরা পড়েছে, তা রাঘববোয়াল না হয়ে যায় না। সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের বেশ কয়েকজনের সহযোগিতায় জাল টেনে তোলেন বৃদ্ধা।

দেখেন ধরা পড়েছে জাম্ব সাইজের এক ভোলা। মাছ দেখতে খাঁড়ির পাশে ভিড় করেন এলাকার মানুষ। প্রায় ৬০ কেজি ওজনের ভোলা মাছের খবর পৌঁছে যায় কাকদ্বীপ বাজারে। পরের দিন ভোরের আলো ফুটতেই কাকদ্বীপ বাজারের আড়তদাররা পৌঁছে যান পুষ্পদেবীর কাছে। দর কষাকষির পর ৬ হাজার টাকা কিলো হিসেবে বিশালাকার মাছটি বিক্রি করেন ওই বৃদ্ধা। বহু বছরের প্রবল আর্থিক সংকটের মধ্যে দিয়েই দুই ছেলেকে নিয়ে দিন কাটাচ্ছিলেন ওই বৃদ্ধা। কিন্তু এই ভোলামাছটা জেনো আচমকাই ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিলো। লক্ষাধিক টাকা পেয়ে যেন হাতে চাঁদ পান পুষ্পদেবী। কিভাবে খরচ করবেন তা-ই বুঝে উঠতে পারছেন না । কিন্তু বিশালাকার ওই মাছ কীভাবে ধরা পড়ল বৃদ্ধার জালে? অনেকেই মনে করা হচ্ছে, জাহাজের ধাক্কায় মাছটি পাড়ের দিকে চলে এসেছিল। না হলে এত বড় সামুদ্রিক মাছ খাঁড়ির জলে পাওয়ার কথা নয়। তবে যে যাই বলুক। কিছু মানুষের কাছে মাছটা যে বৃদ্ধার কাছে এসে যে তা একটা চমৎকার ছাড়া আর কিছুই না।

59