২১/৯/২০২০,ওয়েবডেস্কঃ

ইটাহার গার্লস হাইস্কুলে একাদশ শ্রেণিতে ছাত্রীদের ভর্তির জন্য অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। ইতিপূর্বেই এই স্কুলে অতিরিক্ত ভর্তি ফি নেওয়া ও অন্যান্য নানা অনিয়মের অভিযোগে বিডিও’কে ডেপুটেশন দিয়েছিল সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই।

এসএফআই-এর উত্তর দিনাজপুর জেলা সম্পাদক গোপাল দাস জানিয়েছেন , এই স্কুলে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ১০৫০টাকা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু রসিদ দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৫৬০টাকার রসিদ দিলেও বাকি ৪৯০টাকার জন্য। কোন। রসিদ দিচ্ছে না স্কুল।গোপাল দাস প্রশ্ন তুলেছেন, তাহলে কোথায় যাচ্ছে বাড়তি টাকা?

এসএফআই ইটাহারের নেতৃত্ব সফিকুল ইসলামের কথায়, ইটাহারে মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। কৃষিজীবী গরীব মানুষের বাস এলাকায়। টাকার অভাবে ইটাহারের কোন গরীব পড়ুয়া যাতে উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয় তা দেখার জন্য আগেই আবেদন করা হয়েছিল ইটাহারের বিডিও’র কাছে। বিডিও সরকারী আইন বিরুদ্ধ কোন কাজ বরদাস্ত করা হবে না বলেও আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও রসিদ না দিয়ে অবৈধভাবে ৪৯০টাকা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কেন আদায় করা হচ্ছে তা জানতে চেয়ে এসএফআই আজ আবার বিডিও’র কাছে ডেপুটেশন দেবে বলে জানিয়েছেন সফিকুল ইসলাম

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যেও স্কুলের বিরুদ্ধে উঠছে একই প্রশ্ন। অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন যে ইটাহারের তৃণমূল বিধায়ক অমল আচার্য্যর স্ত্রী ইটাহার হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা।সেই স্কুলে অবৈধভাবে শিক্ষার্থীদের থেকে টাকা তোলা কেন। কেনই বা স্কুল কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের কোন উত্তর দিতে পারছেন না?
এবিষয়ে অবশ্য স্কুল কর্তৃপক্ষের কোন মতামত পাওয়া যায়নি।

28