১৯/৯/২০২০,ওয়েবডেস্কঃ সরকারের তরফ থেকে প্রচার চলছে” রোগের বিরুদ্ধে লড়তে হবে রোগীর বিরুদ্ধে নয়” কিন্তু এবার খোদ এক সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধেই উঠেছে কোরোনা আক্রান্তের পরিবারকে একঘরে করার অভিযোগ । জানা গেছে, বারাসতের এক সরকারি হোমের রক্ষীর দায়িত্বে রয়েছেন (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) । সপ্তাহ খানেক আগে তাঁর স্ত্রী ও ছেলের কোরোনা রিপোর্ট পজ়িটিভ আসে । স্ত্রী ও ছেলের রিপোর্ট পজ়িটিভ আসায় ঐ ব্যক্তি ঐ হোমের সরকারি হোম কোয়ারানটিনে রয়েছেন । অভিযোগ, তারপর থেকেই হোমের সুপারের নির্দেশে ওই সরকারি কর্মীর পরিবারকে একঘরে করে রেখেছে। ফলে সমস্যায় পরেছে ঐ পরিবার। না পাচ্ছে তারা ঠিক মতো খাদ্য সামগ্রী, আর না পাচ্ছেন প্রয়োজনীয় ওষুধ । ফলে বিপাকে পড়েছেন কোরোনা আক্রান্ত ওই সরকারি কর্মীর পরিবার । এমনকী হোমের অন্য সরকারি কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে কোরোনা আক্রান্ত সরকারি কর্মীর পরিবারকে সহযোগিতা করলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে । একজন সরকারি আধিকারিকের এমন আচরণে উঠছে প্রশ্ন ।

এই বিষয়ে ভুক্তভোগী ওই সরকারি কর্মী বলেন, “হোমের সুপারের নির্দেশে কেউ সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসছেন না । ফলে কোনও সাহায্য পাওয়া যাচ্ছে না হোম কর্তৃপক্ষের তরফে । বাধ্য হয়ে অনলাইনে কিছু খাদ্য সামগ্রী আনাতে হচ্ছে আমাদের ।” তাঁর অভিযোগ, ” হোমের সুপার যবে থেকে দায়িত্ব নিয়ে এখানে এসেছেন তখন থেকে দুর্ব্যবহার করছেন আমাদের সঙ্গে । হোমের দায়িত্ব নেওয়ার আগে উনি কোরোনা পরীক্ষা করেছিলেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে । কে বলতে পারে ওনার থেকে আমার পরিবার কোরোনায় আক্রান্ত হয়নি? কারণ উনি আসার পর হোমের পাঁচ জন আবাসিক কোরোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ।”

কাউকে এই বিষয়ে অভিযোগ করেছিলেন কি না সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে ওই সরকারি কর্মী বলেন, “হোম কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছিলাম । যেহেতু হোম কোয়ারানটিনে রয়েছি সেহেতু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাতে পারিনি । তবে,সুস্থ হওয়ার পর বিষয়টি তাঁদের নজরে আনব ।”

20