বেশ কিছুদিন ধরেই বিভিন্ন ইস্যুতে একের পর এক মন্তব্য করে চলেছে কঙ্গনা রানায়ত। হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ড্রাগ-যোগ নিয়েও নানা মন্তব্য করে চলেছেন তিনি। সম্প্রতি কঙ্গনা ট্যুইটে বলিউডে কী ধরনের মাদক বা ড্রাগ সবচেয়ে বেশি প্রসিদ্ধ তা নিয়ে বিস্তর কথা বলেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ড্রাগ হল কোকেন। প্রতিটা হাউজ পার্টিতে এই ড্রাগ নেওয়া হয়। প্রথমে আপনাকে ফ্রি-তে অফার করা হয়। MDMA ক্রিস্টালস জলের সঙ্গে মিশিয়ে নেওয়া হয়, সময় কী ভাবে চলে যাচ্ছে তা আপনি ধরতেই পারবেন না।’

কঙ্গনার এমন মন্তব্যে বলিউড সম্পর্কে ধারণা তৈরি হয়েছে বেশিরভাগেরই মনে। অনেকেই ভুল ধারণা করছেন এবং বলিউডকে বয়কট করার সিদ্ধান্ত পর্যন্ত নিয়েছেন। সম্প্রতি বলিউডের তারকা অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ী এ প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন। তিনি এ নিয়ে এক অন্য দৃষ্টিভঙ্গির কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। এবং একইসঙ্গে কঙ্গনার কথার খেলাপ করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘সব কিছু সরলীকরণ করা ঠিক নয়। ইন্ডাস্ট্রিতে নানা ধরনের মানুষ রয়েছেন। আমার কেন জানি মনে হচ্ছে যে, যিনি ইন্ডাস্ট্রির এমন একটি চিত্র সকলের সামনে তুলে ধরছেন তিনি যেন নিজের কোনও উদ্দেশ্য সফল করতে চাইছেন। আমি ইন্ডাস্ট্রির হয়ে কথা বলছি না। ভালো জিনিস থাকলে খারাপটাও থাকবে। সব জায়গায় খারাপ রয়েছে, এবং সেগুলির বিরুদ্ধে লড়াই করাটাই আসল।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘গোটা ইন্ডাস্ট্রিকে ড্রাগখোর বলা হলে মানুষ যাঁরা টেলিভিশন দেখছেন সবাইকেই ড্রাগের আসক্ত ভাববেন।’ কঙ্গনার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে নিয়ে নানা বিরূপ মন্তব্যে স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষোভ বাড়ছে অনেকের। এই তালিকায় মনোজ বাজপেয়ীও ঢুকে পড়লেন। যদিও নাম করে তিনি কিছু বলেননি, তবে তাঁর বিরক্তি ও ক্ষোভের কথা তিনি সরাসরি জানিয়েছেন।

রাজ্যসভায় দাঁড়িয়ে এদিন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ তথা অভিনেত্রী জয়া বচ্চনও বলিউডের অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতকে একহাত নিয়েছেন। বিজেপির সাংসদ রবি কিষণের মন্তব্যেরও তীব্র নিন্দা করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘মুম্বই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে অপমান করার ষড়যন্ত্র চলছে। এটা লজ্জার।’