তবে কি এবার BJP-তে যোগ দিচ্ছেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত ? বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি একের পর এক টুইট বানে বিদ্ধ করছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষদের। যে কোনও বিষয়েই তার মন্তব্যই আজকাল ব্যস্ত রাখছে আপামর দেশবাসীকে। কখনো সুশান্তের মৃত্যু, কখনো নেপোটিজম, কখনো বলিউডের পরিচালক থেকে প্রযোজকদের সাথে মাদক আবার মাত্রা একডিগ্রী বাড়িয়ে মুম্বাই কে সরাসরি পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের সাথে তুলোনাটেনে বিতর্কিত মন্তব্য করেই চলেছেন অভিনেত্রী। বর্তমানে শিবসেনার সঙ্গে তাঁর সংঘাতে উত্তাল মহারাষ্ট্র-সহ গোটা দেশ। কঙ্গনার পক্ষে-বিপক্ষে ভাগ সোশ্যাল মিডিয়া, বলিউড, দেশের রাজনীতিও। এমন সময়েই জোর জল্পনা ‘কুইন’ অভিনেত্রীর গেরুয়া শিবিরে যোগদান নিয়ে। দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার খবর অনুযায়ী, পরিবার-সহ BJP-তে যোগ দিতে পারেন কঙ্গনা রানাওয়াত।

এর আগে মেয়ের মুম্বই যাত্রার আগে প্রধানমন্ত্রী মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহকে ধন্যবাদ জানান কঙ্গনার মা আশাদেবী, ‘আমরা কংগ্রেসী পরিবার হওয়া সত্ত্বেও অমিত শাহ আমার মেয়েকে নিরাপত্তা দিয়েছেন। মোদী’জিকেও অনেক ধন্যবাদ।’ মানালির ভাম্বলা গ্রামে BJP-র এক পদযাত্রাতেও অংশ নেন কঙ্গনা রানাওয়াতের মা। গেরুয়া শিবির থেকে এই নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানা না গেলেও, হিমাচল প্রদেশের BJP-র তরফ থেকে ইতোমধ্যেই কঙ্গনা রানাওয়াতকে দলে পেতে সক্রিয়তা শুরু হয়েছে বলে দাবি রিপোর্টে। প্রসঙ্গত, কঙ্গনার দাদু হিমাচলপ্রদেশের মান্ডির গোপালপুর আসন থেকে কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন।

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে, তাঁকে তুইতোকারি করে ভিডিয়ো-বার্তা দিয়েছিলেন কঙ্গনা। আবার কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধীর নাম জড়িয়ে, শিবসেনাকে ‘সনিয়া-সেনা’ বলেও তোপ দেগেছেন।

সূত্রের খবর, কঙ্গনার অফিসে ভাঙচুরের ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী ঠাকরের প্রধান উপদেষ্টা অজয় মেহতাকে রাজভবনে সমন পাঠিয়েছিলেন রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি। পরেরদিনই রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন কেন্দ্রীয় রামদাস অটওয়ালে। কঙ্গনার সঙ্গেও তাঁর বৈঠক হয়। সংবাদমাধ্যমকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ‘BMC তো দাউদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয় না। ৫২ হাজার অবৈধ বাড়ি রয়েছে মুম্বইয়ে। কঙ্গনার সঙ্গে যা হয়েছে, তা নিন্দনীয়। উনি ক্ষতিপূরণ চান।’ অভিনেত্রীর রাজনীতিতে যোগদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘BJP কঙ্গনাকে কোনও সমর্থন দেয়নি। তবে উনি BJP বা RPI-এ যোগ দিতে চাইলে স্বাগত জানানো হবে। RPI এ যোগ দিলে ওঁর খুব বেশি লাভ হবে না। তবে BJP-তে গেলে একটা রাজ্যসভার আসন তো পাবেনই।’ মোদী-শাহ এর ঘনিষ্ঠ অটওয়ালের এই মন্তব্যের জেরে কঙ্গনার BJP-তে যোগদানের জল্পনা আরও বাড়লো বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

8