ভারতের অর্থনীতি কি সত্যিই গভীর সঙ্কটের মুখে। গোল্ডম্যান স্যাকস, ফিচ, ইন্ডিয়া রেটিংসের পর ক্রিসিলও কিন্তু দেশের অর্থনীতির সরাসরি সংকোচনের একই পূর্বাভাস দিল। সেক্ষেত্রে আগামী সময়ে বড় সঙ্কটের মুখোমুখি হতে হবে দেশ কে। বর্তমান অর্থ বর্ষে করোনা ও লকডাউনের ধাক্কায় উন্নত ও উন্নয়নশীল বেশিরভাগ দেশকেই সঙ্কটের সম্মুখীন হতে হয়েছে। প্রথম ত্রৈমাসিকের ঘাটতি কাটিয়ে চিন দ্বিতীয় কোয়ার্টারে জিডিপি সংকোচন সামলে সামান্য বৃদ্ধির মুখ দেখলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ প্রায় সমস্ত সামনের সারির দেশে আর্থিক সঙ্কট বেড়েছে। জিডিপি সংকোচনের মুখে ইউএসএ, ব্রিটেনে, ইতালি, জার্মানি প্রভৃতি উন্নত দেশগুলো। তবে এপ্রিল – জুন কোয়ার্টারে সবচেয়ে বেশি আর্থিক সংকোচন হয়েছে ভারতের প্রায় ২৩.৯% । ফলে গোটা আর্থিক বর্ষের অর্থনীতির পুর্বাভাস অনুযায়ী ভারতের অর্থনীতির সংকোচন হতে পারে ৯-১০ শতাংশ।

ক্রিসিল জানিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষে জিডিপি ৯ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে। মে মাসে ৫ শতাংশ সংকোচনের পূর্বাভাস দিয়েছিল এই রেটিং সংস্থা। আর এক রেটিং সংস্থা ইক্রার পূর্বাভাস, সংকোচনের হার হতে পারে ৯.৫ শতাংশ। পূর্বাভাস ছাঁটাইয়ের কারণ হিসেবে ক্রিসিলের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতে কোভিড-১৯ সংক্রমণ এখনও শীর্ষে পৌঁছোয়নি। সংক্রমণ যত বেশিদিন চলবে, অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়াতে তত বশি সময় লাগবে। কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক প্যাকেজ যথেষ্ট নয় বলেও দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। একইসঙ্গে ক্রিসিল জানিয়েছে, সরকারের আর্থিক সীমাবদ্ধতাও আছে। তবুও সাধারণ মানুষকে সরাসরি আর্থিক ত্রাণ দিলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়ায় গতি আসত। সদ্যসমাপ্ত দ্বিতীয় কোয়ার্টার (জুলাই-সেপ্টেম্বর)-এ জিডিপি ১২ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে বলে জানিয়েছে ক্রিসিল।

7