অর্ণব গোস্বামী মানেই চ্যানেলে অতিথিদের ডেকে এক তরফা চিৎকার, অতিথিদের বলতে না দেওয়া এবং ধমকানো। খবর পরিবেশনের এই কদর্য রুপের জন্যই বিখ্যাত (কুখ্যাত) অর্ণব। শাসকের সপক্ষে চ্যানেলে বসে চিৎকারে জি সুপরিচিত এই সাংবাদিক নিজের ব্যবহারের জন্য প্রায়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে ওঠেন। এবার তাঁর বিরুদ্ধে নিউজ রুমে সহকর্মীদের ওপরেও চেঁচামেচি করার অভিযোগ উঠল। শুধু তাই নয় অর্ণবের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করে চ্যানেল থেকে ইস্তফা দিলেন রিপাবলিক টিভির জম্মু কাশ্মীরের ব্যুরো চিফ তেজিন্দর সিং সোধি।

নিজের ইস্তফা পত্রে চ্যানেলের ভাইস প্রেসডেন্ট হানি কাউরকে লিখিতভাবে তেজিন্দর জানিয়েছেন ঠিক কি কি কারণে তিনি ইস্তফা দিচ্ছেন। চিঠিতে তিনি লিখেছেন,যখন রিপাবলিক টিভি তৈরি হয়েছিল, তখন যে টিম একসঙ্গে পথ চলা শুরু করেছিল, আজ তার মধ্যে কতজন আছেন? তাঁরা কেন ছেড়ে গেলেন? তাঁর অভিযোগ, চাকরি নিয়ে কথা বলার সময় অর্ণব গোস্বামী জানিয়েছিলেন, এখন স্যালারি বেশি দেওয়ার সামর্থ নেই, কিন্তু একবার চ্যানেলে টাকা আসতে শুরু করলে বেতন বাড়িয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু ২ বছর পেরিয়ে গেলেও কারও বেতন বৃদ্ধি হয়নি। এই বিষয়ে সরব হতেই একদিন তাঁকে ফোন করে প্রোমোশনের খবর দেওয়া হয়। তেজিন্দর সেই প্রোমোশনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।
চ্যানেলের মূল চালিকাশক্তিরা কেউই অর্ণব গোস্বামীর সঙ্গে কাজ করতে পারছিলেন না বলে দাবি করেছেন তেজিন্দর সিংহ। তাঁর দাবি, রিপাবলিক টিভির সহকর্মীদের সঙ্গে অর্ণব মানুষ সুলভ আচরণ করেন না। অর্ণব গোস্বামী গোটা টিমকে দিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করিয়ে লাভের গুড় একা খান বলেও অভিযোগ তাঁর। তেজিন্দর সিংহ সোধির আরও অভিযোগ, অর্ণব গোস্বামী এবং তাঁর স্ত্রীই একমাত্র রিপাবলিক টিভিতে লাভের মুখ দেখেন। বাকিরা সবাই লোকসানের খাতায়। সেখানে অর্ণব গোস্বামী ছাড়া আর কারও দাম নেই

51